• ঢাকা
  • বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

বর্জ্যে শতকোটির দুর্নীতি অনুসন্ধানে ডিএসসিসিতে দুদক


নিজস্ব প্রতিবেদক সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২৬, ০৫:০৭ পিএম
বর্জ্যে শতকোটির দুর্নীতি অনুসন্ধানে ডিএসসিসিতে দুদক

ফাইল ছবি

মশা নিধনে ভেজাল কীটনাশকের নামে কেরোসিন ছিটানো এবং বাসাবাড়ির বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অবৈধ দখলদারি ও চাঁদাবাজিসহ শতকোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে (ডিএসসিসি) এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। 

বুধবার দুপুরে দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে সহকারী পরিচালক মেহেদী মুসা জেবিন ও উপসহকারী পরিচালক হাবিবুর রহমানের সমন্বয়ে পাঁচ সদস্যের একটি এনফোর্সমেন্ট দল এই অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযোগে জানা যায়, ঠিকাদারি চক্র, ল্যাব কর্মকর্তা ও স্থানীয় প্রভাবশালীদের যোগসাজশে মশা নিধন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনার নামে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ করা হচ্ছে। অতীতে উত্তর সিটি করপোরেশনে ভেজাল কীটনাশক সরবরাহের দায়ে কালো তালিকাভুক্ত হওয়া ‘দি লিমিট অ্যাগ্রো’ নামের প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্টরা নাম বদলে ‘ফরওয়ার্ড ইন্টারন্যাশনাল’ নামে নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে। এই নতুন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে গত দুই বছরে ডিএসসিসি থেকে প্রায় ৪৮ কোটি টাকার কীটনাশক সরবরাহের কাজ বাগিয়ে নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার সময় মান ঠিক রাখা হলেও মাঠপর্যায়ে মশা মারার নামে কেবল কেরোসিন ছিটানো হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে, বাসাবাড়ি থেকে বর্জ্য সংগ্রহের নামেও চলছে চরম স্বেচ্ছাচারিতা ও চাঁদাবাজি। সিটি করপোরেশনের নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ফ্ল্যাট থেকে সর্বোচ্চ ১০০ টাকা ফি নেওয়ার কথা থাকলেও ধানমন্ডি, আজিমপুর, কাঁঠালবাগান ও যাত্রাবাড়ীসহ বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দাদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ১২০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। পাশাপাশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো থেকেও তোলা হচ্ছে অতিরিক্ত টাকা।

দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আকতারুল ইসলাম অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাপ্ত সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে নথিপত্র যাচাই-বাছাই ও সরেজমিন তদন্তের জন্য এই অভিযান চালানো হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

এসএইচ 

Link copied!