• ঢাকা
  • বুধবার, ০৭ অক্টোবর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

জিয়াউলের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি আজ


নিজস্ব প্রতিবেদক অক্টোবর ৬, ২০২৬, ০৯:১৮ এএম
জিয়াউলের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি আজ

আওয়ামী লীগের আমলে সংঘটিত শতাধিক গুম-খুনের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আজ অবশিষ্ট সাক্ষ্য দেবেন মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে তার এ জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।

প্রসিকিউশন জানায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার ১৫তম সাক্ষী হিসেবে রফিকুল ইসলামের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ওই দিন আংশিক জবানবন্দি দেন তিনি। বাকি অংশের জবানবন্দির জন্য ৪ অক্টোবর দিন ঠিক করেন ট্রাইব্যুনাল। তবে ওই দিন সাক্ষ্য গ্রহণ না হওয়ায় আজকের দিন ধার্য করা হয়। 

জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ১৫ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যের মাধ্যমে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন বলে জানিয়েছে প্রসিকিউশন। তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি শেষ হলেই মামলাটি যুক্তিতর্কের দিকে এগোবে। তবে চাইলে চাইলে সাফাই সাক্ষ্য দিতে পারবে আসামিপক্ষ।

এর আগে, ২৭ সেপ্টেম্বর জিয়াউলের মামলায় সাক্ষ্য দেন কামরুল ইসলাম। তদন্তকালে বিভিন্ন স্থান থেকে জব্দ করা আলামতের তথ্য ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরেন তিনি। একই দিন মামলার ১৩তম সাক্ষী র‍্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাব্বির রহমানের জেরা শেষ হয়। তিনি ছিলেন মামলার সর্বশেষ চাক্ষুষ সাক্ষী।

এ মামলায় সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ আনা হয়। প্রথমটি হলো- ২০১১ সালের ১১ জুলাই রাতে গাজীপুর সদর থানার পুবাইলে সড়কের পাশে জিয়াউলের সরাসরি উপস্থিতিতে সজলসহ তিন হত্যা।

দ্বিতীয় অভিযোগে অপরাধের সময়কাল হলো ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত। এ সময়টায় বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের চরদুয়ানী খালঘেঁষা বলেশ্বর নদীর মোহনায় নজরুল, মল্লিকসহ ৫০ জনকে হত্যা।

তৃতীয় অভিযোগেও ৫০ হত্যার অভিযোগ এনেছে প্রসিকিউশন। অর্থাৎ, দ্বিতীয় অভিযোগে উল্লিখিত সময়ে বরগুনার বলেশ্বর নদী ও বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবনের বিভিন্ন অঞ্চলে তথাকথিত বনদস্যু দমনের আড়ালে মাসুদসহ ৫০ জনের প্রাণ নেওয়া।

এসব হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর জিয়াউলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-১। ১৭ ডিসেম্বর তার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়। একই দিন ফরমাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

এম

Link copied!