• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৬ মার্চ, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

কিছু পণ্যের দাম কমলেও বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম


নিজস্ব প্রতিবেদক মার্চ ৬, ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
কিছু পণ্যের দাম কমলেও বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম

ফাইল ছবি

ঢাকা: কিছু নিত্যপণ্যের দামে স্বস্তি মিললেও কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, লেবু ও শসার দাম কিছুটা কমেছে, বিপরীতে বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি ও বিভিন্ন মসলার দাম। ঢাকার খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।

শুক্রবার (৬ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে এমন চিত্র দেখা গেছে। 

প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০ টাকা কমে বর্তমানে ৪০ থেকে ৪৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ২০ টাকা কমে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রোজার প্রথম সপ্তাহে লেবু ও শসার বাজার ছিল বেশ চড়া। ইফতারে শরবত তৈরিতে লেবুর চাহিদা বেশি থাকায় এবং সালাদের প্রধান উপকরণ হওয়ায় শসার চাহিদাও বেড়ে যায়। ফলে রোজার শুরুতেই এ দুই পণ্যের দাম বেড়ে যায়।

কিছুদিন আগেও মানভেদে প্রতি হালি লেবু ৬০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। গত সপ্তাহেও প্রায় একই দাম ছিল। তবে চলতি সপ্তাহে লেবুর দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে মানভেদে প্রতি হালি লেবু বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৭০ টাকায়।

অন্যদিকে, রোজার শুরুতে প্রতি কেজি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হলেও চলতি সপ্তাহে দাম ৫ থেকে ১০ টাকা কমেছে। তবে রোজার মাঝামাঝি সময়ে এসে উল্টো বেড়েছে ব্রয়লার মুরগি, মসলাসহ আরও কয়েকটি নিত্যপণ্যের দাম।

মাছ, সবজি ও গরুর মাংসের দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে মানভেদে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭৫০ থেকে ৮২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে বছরের শুরুতে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ছিল ১৬০ থেকে ১৬৫ টাকা। মাঝখানে দাম বেড়ে ২০০ থেকে ২৩০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে। গত সপ্তাহে ব্রয়লারের দাম ছিল ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা।

চলতি সপ্তাহে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৯০ থেকে ২১০ টাকায় এবং সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকায়।

বাজারে চিনি ও সুগন্ধি চালের দাম কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি চিনি ১০ টাকা বেড়ে ১০০ থেকে ১০৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সুগন্ধি চালের দামও কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি মসলার বাজারও চড়া হতে শুরু করেছে। কেজিপ্রতি ২০০ টাকা বেড়ে আলুবোখারা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ১ হাজার টাকায়। এছাড়া জিরা, কিসমিস ও বিভিন্ন ধরনের বাদামের দাম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

এদিকে মাছের বাজারেও দামের তারতম্য লক্ষ্য করা গেছে। বাজারভেদে চাষের পাঙাশ মাছ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা কেজি, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২২০ টাকা এবং রুই ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। কিছু বড় আকারের নদীর মাছের দাম আরও বেশি। এছাড়া বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছের কেজি ৪০০ থেকে ১২০০ টাকা পর্যন্ত ছুঁয়েছে।

এদিকে বেশ কয়েক দিন ধরে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ কমে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন ক্রেতা ও বিক্রেতারা। যদিও তেলের দাম বাড়েনি, তবে অনেক দোকানে এক লিটার ও দুই লিটারের বোতল পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ক্রেতারা। বিক্রেতাদের দাবি, ডিলাররা চাহিদার তুলনায় প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ তেল সরবরাহ করছেন।

এএইচ/পিএস

Wordbridge School
Link copied!