ফাইল ছবি
প্রশাসনিক কার্যক্রম সচল রাখা এবং নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে সারা দেশের সরকারি দপ্তরের শূন্যপদগুলোতে দ্রুত জনবল নিয়োগের বড় উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ছয় মাস, এক বছর ও পাঁচ বছর মেয়াদি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ মে) জাতীয় সংসদে কুড়িগ্রাম-১ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মো. আনোয়ারুল ইসলামের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী এ তথ্য জানান।
লিখিত জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কর্মপরিকল্পনায় উল্লেখিত ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’ উদ্যোগটি বাস্তবায়নের জন্য কাজ চলছে। বর্তমানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নিয়োগসংক্রান্ত সর্বশেষ অবস্থা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
শূন্য পদের সঠিক তথ্য সংগ্রহ এবং দ্রুত নিয়োগের চাহিদা (রিকুইজিশন) পাঠানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগে চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানান আব্দুল বারী। তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ে নিয়োগপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং প্রশাসনিক গতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও সময়োপযোগী নিয়োগপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর। এই কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে সরকারি দপ্তরগুলোর শূন্যপদ পূরণ হওয়ার পাশাপাশি জনগণের ভোগান্তি কমবে এবং সেবার মান বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এসএইচ







































