• ঢাকা
  • রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

সরকারি পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক


নিজস্ব প্রতিবেদক জুন ২৮, ২০২৬, ০৪:১৭ পিএম
সরকারি পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

ফাইল ছবি

ঢাকা: স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বাড়িয়ে বাংলাদেশের সরকারি পাঁচ প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করতে ২৫ কোটি ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। স্ট্রেনদেনিং ইনস্টিটিউশনস ফর ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি প্রকল্পের আওতায় এ অর্থায়ন করছে বিশ্বব্যাংক।

রোববার (২৮ জুন) সংস্থাটির ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, পরিকল্পনা বিভাগ, বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি এবং অডিটর জেনারেল ও নিয়ন্ত্রক কার্যালয়।

সংস্থাটি জানায়, উচ্চাভিলাষী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করতে শক্তিশালী সরকারি প্রতিষ্ঠান, অধিকতর স্বচ্ছতা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য উন্নত তথ্যের প্রয়োজন। কিছু অগ্রগতি হলেও সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা, ডেটা সিস্টেম, ক্রয় প্রক্রিয়া এবং রাজস্ব আদায়ের ঘাটতিগুলো এখনো দক্ষতা সীমিত এবং দেশের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাকে বাধাগ্রস্ত করছে।

এরই পরিপ্রেক্ষিতে, ‘স্ট্রেনদেনিং ইনস্টিটিউশনস ফর ট্রান্সপারেন্সি অ্যান্ড অ্যাকাউন্টেবিলিটি’ (এসআইটিএ) প্রকল্পটির মাধ্যমে ডিজিটাল রূপান্তর, উন্নত ব্যবস্থা ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে এই গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলোতে সরকারের মূল সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহকে আধুনিকীকরণে সহায়তা করা হবে।

প্রকল্পটির উদ্দেশ্য হলো— পাঁচটি প্রধান প্রতিষ্ঠানকে আধুনিকীকরণ এবং সরকারি খাতে সেবা প্রদান ব্যবস্থার উন্নতির মাধ্যমে সুশাসন ও সরকারি খাতের কার্যকারিতা শক্তিশালী করা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো: একটি সমন্বিত জাতীয় ডেটা ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা এবং তথ্য-প্রমাণভিত্তিক নীতি নির্ধারণের জন্য উচ্চমানের তথ্যের উৎপাদন ও ব্যবহার বাড়ানো।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড: কর কমপ্লায়েন্স ও অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আদায় বাড়াতে অটোমেশন, ই-ইনভয়েসিং এবং সমন্বিত ডিজিটাল সিস্টেমের মাধ্যমে কর প্রশাসনকে আধুনিকীকরণ করা।

পরিকল্পনা বিভাগ: ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, এআই চালিত অ্যানালিটিক্স এবং রিয়েল টাইম মনিটরিং টুলের মাধ্যমে সরকারি বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি শক্তিশালী করা।

বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটি: দক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং অর্থের সঠিক মূল্য নিশ্চিত করতে উন্নত ডিজিটাল ফিচারসহ ইলেকট্রনিক গভর্নমেন্ট প্রকিউরমেন্ট সিস্টেমের কার্যকারিতা বাড়ানো।

অডিটর জেনারেল ও নিয়ন্ত্রক কার্যালয়: অডিট বা নিরীক্ষা প্রক্রিয়াকে ডিজিটালাইজ করা এবং আর্থিক তদারকি ও জবাবদিহি জোরদার করা। যেহেতু নিরীক্ষার ফলাফল সময়োপযোগী হলে দ্রুত প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব, তাই এ প্রকল্পের লক্ষ্য অডিট রিপোর্টিংয়ের সময় ৭২ মাস থেকে কমিয়ে ৯ মাসে নামিয়ে আনা।

বিশ্বব্যাংক বলছে, টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মূল ভিত্তি হলো শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা। সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ, স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহির ভিত্তি হিসেবে কাজ করা ব্যবস্থাগুলোকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে এ প্রকল্পটি দীর্ঘমেয়াদি, অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় বিশ্বস্ত ও কার্যকর সরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে সাহায্য করবে।

এএইচ/এসআই

Link copied!