ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: আন্তর্জাতিক বাজারে সোনার দাম টানা তৃতীয় দিনের মতো কমে সাত মাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি অবস্থান করছে। যুক্তরাষ্ট্রে সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা জোরালো হওয়ায় মার্কিন ডলার শক্তিশালী হয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে মূল্যবান এই ধাতুর ওপর।
বৃহস্পতিবার স্পট গোল্ডের দাম ০.৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৮২.৪৯ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির জন্য মার্কিন স্বর্ণ ফিউচার্সের দাম ০.৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৩ হাজার ৯৯৭.৬০ ডলারে দাঁড়ায়।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভের সম্ভাব্য সুদের হার বৃদ্ধি সোনার বাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সুদের হার বাড়লে ডলার আরও শক্তিশালী হয়, ফলে সোনা অন্যান্য মুদ্রাধারীদের জন্য তুলনামূলকভাবে ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে এবং চাহিদা কমে যায়।
বাজারের তথ্য অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বরে ফেড সুদের হার বাড়াতে পারে—এমন সম্ভাবনা বর্তমানে ৬৬ শতাংশ। এ কারণে বিনিয়োগকারীদের একটি অংশ সোনা থেকে সরে গিয়ে শেয়ারবাজার ও অন্যান্য সম্পদে ঝুঁকছেন।
গত সপ্তাহে ফেডের বৈঠকের পর থেকে সোনার দাম ৬ শতাংশের বেশি কমেছে। বুধবার সোনার দাম ৪ হাজার ডলারের নিচে নেমে যায়, যা ২০২৫ সালের নভেম্বরের পর প্রথম ঘটনা। চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারিতে রেকর্ড উচ্চতা স্পর্শ করার পর থেকে সোনার দাম ২৮ শতাংশেরও বেশি কমেছে।
এদিকে বিনিয়োগকারীরা এখন যুক্তরাষ্ট্রের পার্সোনাল কনজাম্পশন এক্সপেনডিচারস (পিসিই) মূল্যস্ফীতি তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন। এই তথ্য ভবিষ্যৎ মুদ্রানীতি নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
অন্য মূল্যবান ধাতুগুলোর মধ্যেও দরপতন দেখা গেছে। রূপা ও প্লাটিনামের দাম কমেছে, তবে প্যালাডিয়ামের দাম কিছুটা বেড়েছে।
পিএস


























-6a397791a3645-20260622190839.jpg)












