ফাইল ছবি
ঢাকা: শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির সঙ্গে অ-তালিকাভুক্ত ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের একীভূতকরণ (মার্জার) অনুমোদন দিয়েছে হাইকোর্ট।
বুধবার (১২ আগস্ট) ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। সূত্র অনুযায়ী, গত ২৯ জুলাই হাইকোর্ট এ-সংক্রান্ত রায় ও আদেশ দেন। সম্প্রতি কোম্পানিটি আনুষ্ঠানিকভাবে সেই আদেশ হাতে পেয়েছে।
অনুমোদিত একীভূতকরণ পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওয়ালটন ডিজি-টেক হবে ট্রান্সফারর (Transferor) কোম্পানি এবং ওয়ালটন হাই-টেক হবে ট্রান্সফারি (Transferee) কোম্পানি। একীভূতকরণ সম্পন্ন হলে ওয়ালটন ডিজি-টেকের সম্পদ, দায় ও ব্যবসা ওয়ালটন হাই-টেকের অধীনে চলে যাবে।
কোম্পানিটির ভাষ্য, এই একীভূতকরণের মাধ্যমে ওয়ালটন হাই-টেকের পণ্যের পরিধি আরও সম্প্রসারিত হবে। এর আওতায় ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, প্রিন্টার, মোবাইল ফোন, প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ড (পিসিবি), আইটি অ্যাকসেসরিজ এবং ইলেকট্রিক বাইকের মতো পণ্য যুক্ত হবে।
এছাড়া পরিচালন ব্যয় কমানো, কার্যক্রমে দক্ষতা বৃদ্ধি, প্রযুক্তিগত ও উদ্ভাবনী সক্ষমতার সমন্বয়, বাজার সম্প্রসারণ এবং প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে আশা করছে কোম্পানিটি।
এর আগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ওয়ালটন হাই-টেকের পরিচালনা পর্ষদ কোম্পানি আইন, ১৯৯৪ অনুযায়ী প্রস্তাবিত একীভূতকরণের জন্য একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) অনুমোদন করে।
চলতি বছরের জুনে অনুষ্ঠিত কোম্পানির বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) শেয়ার বিনিময়ের অনুপাতও অনুমোদন করা হয়। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ওয়ালটন ডিজি-টেকের প্রতি ৩৮ দশমিক ৪৫টি শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেকের ১টি শেয়ার দেওয়া হবে। এ হিসেবে ওয়ালটন ডিজি-টেকের ৩ কোটি শেয়ারের বিপরীতে ওয়ালটন হাই-টেক নতুন করে ৭ লাখ ৮০ হাজার ২৩৪টি শেয়ার ইস্যু করবে।
প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) চলতি বছরের মার্চ মাসে এই একীভূতকরণে অনাপত্তিপত্র (এনওসি) প্রদান করে।
এএইচ/পিএস







































