বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তনের চিন্তা করছে সরকার। সশরীর পাঠদানের পাশাপাশি আংশিক অনলাইন ক্লাস চালুর প্রস্তাব আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে আলোচনায় উঠতে পারে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া মহানগর এলাকার স্কুল-কলেজগুলোতে ‘ব্লেন্ডেড লার্নিং’ পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা করা হয়েছে। এতে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইনে এবং তিন দিন সশরীরে ক্লাস নেওয়ার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। এক দিন অনলাইন ক্লাস হলে পরের দিন সরাসরি ক্লাস নেওয়ার মাধ্যমে একটি বিকল্প রুটিন তৈরি করা হতে পারে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জ্বালানি ব্যবহার কমানো এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের চাপ হ্রাস করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানির ওপর বাড়তি চাপ সামাল দিতে এই পদ্ধতিকে কার্যকর সমাধান হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সম্প্রতি সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানান, সরকার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে এবং মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে। বৈঠকের আলোচনার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, দীর্ঘ রমজান ও ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে সম্প্রতি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলেছে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতার কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে যে চাপ তৈরি হয়েছে, তা বাংলাদেশের ওপরও প্রভাব ফেলছে। এই প্রেক্ষাপটে বিকল্প শিক্ষাপদ্ধতি চালুর বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার ব্যবহার আরও বাড়বে এবং সংকটকালীন পরিস্থিতিতে শিক্ষার ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সহজ হবে।
এম







































