• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৪, ৯ বৈশাখ ১৪৩১

এবার আসিফ মাহতাবের বানান জ্ঞান নিয়ে তোলপাড়!


নিউজ ডেস্ক জানুয়ারি ২৪, ২০২৪, ০৩:৫৭ পিএম
এবার আসিফ মাহতাবের বানান জ্ঞান নিয়ে তোলপাড়!

ঢাকা : ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আসিফ মাহতাবকে নিয়ে চলছে তোলপাড়। সামাজিক মাধ্যম কিংবা বাস্তব মাধ্যম-দুই মাধ্যমেই এখন আলোচিত টপিক এই শিক্ষক। সম্প্রতি সপ্তম শ্রেণীর পাঠ্যপুস্তকে হিজড়া সম্প্রদায়কে নিয়ে করা একটি অধ্যায়ের তীব্র সমালোচনা করেন এই শিক্ষক।
 
তবে এই শিক্ষকের কর্মকাণ্ড নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন যে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার যোগ্যতাই রাখেন না। কবি আখতারুজ্জামান আজাদ শিক্ষক আসিফ মাহতাবের একটি পোস্টে ১২ টি পয়েন্টে ভুল ধরেন।
 
আসিফ মাহতাব তার পোস্টে লেখেন, ‘আমার কন্ট্রাক্ট যদি রিনিউ নাই করাহবে তাহলে আমাকে দিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা মিটিং , কাররিকুলাম ডেভেলপমেন্টের কাজ কেন করানো হলো?  সবচে মজার বেপার হচ্ছে আমার কোর্স রিনিউ করা হয়নি ভালো কথা, তো আমাকে দিয়ে একটা ক্লাস কেন নোয়ানো হলো?

ইমেইল ডিএক্টিভেট করেছেন ভালো কথা, কিন্তু আমি তার আগের রাতেই প্রমান রাখার জন্য আমাদের অফিসিয়াল এমাইলস যেখানে আমাকে ক্লাস দাওয়াহ হয়েছে, কাজ করানো হয়েছে সব আরেকটি ইমেইল এ সেন্ড করি।’
 
এই পোস্ট নিয়ে আখতারুজ্জামান আজাদ বলেন, ‘এত ছোট একটা লেখায় সপ্তম শ্রেণির কোনো ছাত্রেরও এত ভুল করার কথা না। কারওয়ানবাজারের 'মহানগরী হাঁস-মুরগি বাজারজাতকরণ সমবায় সমিতি'র আপ্যায়নবিষয়ক উপ-সম্পাদক এ জাতীয় ভুল করলে মানা যায়। কোনো বিশ্ববিদ্যালয়শিক্ষক এই কাজ করলে এসএসসির সনদ বাতিল করে তাকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করতে হবে।’

একই পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে একাদ্ধিক নেটিজেন বলছেন, উনার বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার আগে বানান ভালো করে শেখা উচিত। তবে নেতীজেনদের একাংশ বলছেন, একটি পক্ষ শিক্ষক আসিফ মাহতাবের বিরুদ্ধে উঠেপড়ে লেগেছে, অগুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে নিয়ে আসছে তারা।  
 
এর আগে গত শুক্রবার রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্সে আয়োজিত ‘বর্তমান কারিকুলামে নতুন পাঠ্যপুস্তক: বাস্তবতা ও ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক সেমিনারে অংশ নেন শিক্ষক আসিফ মাহতাব।
 
শিক্ষক ফোরামের ব্যানারে এই সম্মেলন হলেও এখানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর চরমোনাই পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।
 
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, সপ্তম শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে ট্রান্সজেন্ডারের গল্প ঢুকিয়ে শিক্ষার্থীদের মগজধোলাই করা হচ্ছে। এসময় তিনি এই পাঠ্যবই থেকে ‘শরীফ’ থেকে ‘শরীফা’ হওয়ার গল্পের পাতা ছিঁড়ে ফেলেন। এ দৃশ্যের একটি ভিডিও মাহতাব তার নিজের ফেসবুকে আপলোড করেন। এরপর সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়।

এই ঘটনার পরই সামাজিক মাধ্যমে আসিফকে নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। ওই শিক্ষককে পাঠদান থেকে বিরত রাখায় প্রতিবাদ জানিয়েছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একাংশ। মঙ্গলবার সকালে তারা ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরুল বাড্ডা প্রধান গেটে এসে জমায়েত হয়। এ সময় তারা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে নিজেদের বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করে।

এমটিআই

Wordbridge School
Link copied!