• ঢাকা
  • শনিবার, ০৮ আগস্ট, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

ইহুদিদের সমালোচনা করলে মার্কিন ভিসা নয়, কড়া বার্তা ট্রাম্প প্রশাসনের


আন্তর্জাতিক ডেস্ক আগস্ট ৫, ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
ইহুদিদের সমালোচনা করলে মার্কিন ভিসা নয়, কড়া বার্তা ট্রাম্প প্রশাসনের

ফাইল ছবি

ঢাকা: যুক্তরাষ্ট্রে ইহুদি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা জোরদারে নতুন ও কঠোর ভিসা নীতির ঘোষণা দিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইহুদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা, বিদ্বেষ বা সহিংসতা উসকে দেন—এমন বিদেশি নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে না।

এক ভিডিও বার্তায় রুবিও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসন ইহুদি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো আপস করবে না। তার ভাষায়, যারা ইহুদিবিদ্বেষ ছড়ায় বা সহিংসতাকে উৎসাহিত করে, তাদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের দরজা বন্ধ থাকবে।

রুবিওর মতে, নতুন নীতির মূল লক্ষ্য বিদেশি নাগরিকদের মাধ্যমে ইহুদিবিদ্বেষমূলক প্রচারণা, চরমপন্থা এবং সহিংসতার উসকানি প্রতিরোধ করা। তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলবিরোধী কিছু উগ্র বক্তব্য প্রায়ই সন্ত্রাসী সংগঠনগুলোর প্রচারসামগ্রীর সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি জানান, ইসরায়েলকে ঘিরে বিদ্বেষমূলক প্রচারণায় আন্তর্জাতিক সংস্থা ও বিভিন্ন রাষ্ট্রের ভূমিকাও ওয়াশিংটন আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত প্রসঙ্গে রুবিও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনো ‘আব্রাহাম চুক্তি’ আরও বিস্তারের মাধ্যমে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার আশা করছে। তার মতে, আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করার উদ্যোগ ভবিষ্যতে শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের সময় থেকেই মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ ভিসা আবেদনকারীদের যাচাই-বাছাই আরও কঠোর করেছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত কার্যক্রম, চরমপন্থী সংগঠনের প্রতি সমর্থন, ইহুদিবিদ্বেষমূলক বক্তব্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সম্ভাব্য ঝুঁকি—এসব বিষয় এখন ভিসা মূল্যায়নে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। 

তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি প্রচলিত দাবির সঙ্গে নতুন নীতির পার্থক্য রয়েছে। মার্কিন সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এমন কোনো নীতি ঘোষণা করেনি যে, শুধুমাত্র ইসরায়েলের সমালোচনা করলেই কাউকে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা দেওয়া হবে না। রুবিওর বক্তব্যে স্পষ্টভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে ইহুদি সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে ঘৃণা, বিদ্বেষ ও সহিংসতা উসকে দেওয়ার বিষয়টিকে; সাধারণ রাজনৈতিক সমালোচনা বা মতপ্রকাশকে নয়। স্বাধীন ফ্যাক্ট-চেক সংস্থাগুলোও একই বিষয় নিশ্চিত করেছে।

এসআই

Link copied!