• ঢাকা
  • সোমবার, ২৭ জুন, ২০২২, ১৩ আষাঢ় ১৪২৯

সহকর্মীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন, খেয়াল রাখবেন যেসব বিষয়


লাইফস্টাইল ডেস্ক জুন ২২, ২০২২, ০১:৪০ পিএম
সহকর্মীর প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন, খেয়াল রাখবেন যেসব বিষয়

ঢাকা : ভালোবাসা যে কোনো জায়গাতে যে কোনো বয়সেই হতে পারে। স্কুল-কলেজ কিংবা কর্মক্ষেত্রও হতে পারে। একজন কর্মজীবীর দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে অফিসেই। দীর্ঘদিন একসাথে কাজ করায় সহকর্মীর ওপর দুর্বলতা আসতে পারে।

কোনো সহকর্মীর সাথে প্রেমের সম্পর্ক তৈরি হলে তা অন্য সহকর্মীদের কাছে গসিপের বিষয় হয়ে উঠতে পারে। অফিসে আপনাদের নিয়ে কানাঘুষা চললে তার প্রভাব পড়বে ব্যক্তিগত জীবনেও।

তাই কোনো সহকর্মীর প্রেমে পড়লে এবং তার সাথে সম্পর্ক শুরু করার সিদ্ধান্ত নিতে চাইলে কিছু বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে-

কর্ম ও ব্যক্তিজীবন আলাদা রাখুন : সম্পর্কে জড়ালে সেখানে প্রাপ্তি, প্রত্যাশা, রাগ, অভিমানসহ আরো অনেক অনুভূতি জমা হবে। এই ভালো তো এই খারাপ। ঝগড়া তো হবেই, আবার মিলও হবে। এগুলো আপনাদের ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু এর কোনো ধরনের প্রভাব আপনার কর্মজীবনে পড়তে দেবেন না। যার যার ডেস্ক সুষ্ঠুভাবে সামলাতে হবে। সেইসাথে অফিসে অনুভূতির লেনদেনও বন্ধ রাখতে হবে। একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকা, হাত ধরা কিংবা ঘনিষ্ঠ হয়ে বসা যাবে না। কারণ এ ধরনের ঘনিষ্ঠতা সবার নজরে আসবে এবং অফিসের পরিবেশের সাথেও খাপ খায় না।

কমিউনিকেট করুন সঠিকভাবে : অফিসে থাকাকালীন একজন সহকর্মীর মতোই আচরণ করুন। ব্যক্তিগত আলোচনা বন্ধ রাখুন। অফিসের ফোন কিংবা মেইল ব্যবহার করে ব্যক্তিগত কথাবার্তা বলবেন না। কারণ আপনার অজান্তেই সেসব মেইল অফিসের তরফে ট্র্যাক হতে পারে। এছাড়া অফিসের রিসোর্স আপনার ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের জন্য নয়। নিজের কাজের প্রতি দায়িত্বশীল থাকুন।

সহকর্মীদের কাছে ব্যক্তিগত কথা নয় : আপনাদের দুজনের মধ্যে কোনো সমস্যা হলে তা অন্যান্য সহকর্মীদের বলবেন না। সমস্যা সব সম্পর্কেই কম-বেশি থাকতে পারে। কিন্তু তা সবাইকে জানিয়ে বেড়ানো ঠিক নয়। কেবল কাছের মানুষদেরই বলা যায়। তাই আপনার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে কোনো সমস্যা হলে তা সহকর্মীদের সাথে আলোচনা করা থেকে বিরত থাকুন। আপনার ব্যক্তিগত জীবন তাদের সামনে তুলে আপনি তাদের গসিপের বিষয় হয়ে উঠবেন।

সম্পর্ক ভালোভাবে না চললে : প্রেমের সম্পর্ক শুরুর আগে ভালোভাবে ভেবে নিন। কারণ সম্পর্কটি ঠিকভাবে না এগোলে পরবর্তীতে আর আগের মতো সব ঠিকভাবে চলবে না। কোনো কারণে ব্রেকআপ হয়ে গেলেও প্রতিদিন পরস্পরের মুখ দেখতে হবে। যদি সমস্যা লেগেই থাকে এবং কোনোভাবেই মানিয়ে নেয়া না যায় তবে সম্পর্ক ভেঙে বেরিয়ে আসাই উত্তম। তবে ব্রেকআপের পর তার প্রভাব অফিসে পড়তে দেবেন না।

সোনালীনিউজ/এমটিআই

Wordbridge School
Sonali IT Pharmacy Managment System