ইসলামে যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতের আগে মানসিক ও আত্মিক প্রস্তুতির ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যেমনভাবে কোনো বড় দায়িত্ব পালনের আগে প্রস্তুতি প্রয়োজন, ঠিক তেমনি রমজানের মতো মহিমান্বিত মাসকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতেও অগ্রিম প্রস্তুতি জরুরি। কারণ রমজান একজন মুমিনের জীবনে ক্ষমা, রহমত ও নাজাত অর্জনের এক অনন্য সুযোগ।
রমজানের প্রস্তুতির প্রথম ধাপ হলো—রমজান পর্যন্ত পৌঁছানোর জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করা। এ বিষয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ আমাদের জন্য স্পষ্ট দিকনির্দেশনা দেয়।
হাদিসে বর্ণিত আছে, রাসুল (সা.) রজব ও শাবান মাসজুড়ে আল্লাহর কাছে বরকত কামনা করতেন এবং রমজান মাসে ইবাদতের সুযোগ লাভের জন্য বিশেষভাবে দোয়া করতেন। তিনি যে দোয়াটি বেশি বেশি পড়তেন তা হলো—
আরবি দোয়া:
اللَّهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي رَجَبٍ، وَشَعْبَانَ، وَبَلِّغْنَا رَمَضَانَ
উচ্চারণ:
আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রাজাব ওয়া শাবান, ওয়া বাল্লিগনা রমাদান।
অর্থ:
হে আল্লাহ! আমাদের জন্য রজব ও শাবান মাসে বরকত দান করুন এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌঁছে দিন।
এই দোয়াটি আমাদের শেখায়—রমজানের জন্য শুধু অপেক্ষা নয়, বরং আগেভাগেই প্রস্তুতি নিতে হবে। শাবান মাস হলো আত্মশুদ্ধি, নফল ইবাদত বৃদ্ধি এবং রমজানের জন্য নিজেকে গড়ে তোলার সুবর্ণ সময়। এই সময়ে বেশি বেশি দোয়া, ইস্তিগফার ও নেক আমলের মাধ্যমে রমজানের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করাই একজন মুমিনের লক্ষ্য হওয়া উচিত।
হাদিসটি বর্ণিত হয়েছে মুসনাদে আহমাদ গ্রন্থে (হাদিস নম্বর: ২৫৯)।
এম



































-6a5180056c541-20260711030002.jpg)



