ঢাকা: একই মাসে বর্তমান বিশ্বের দুই সেরা তারকা লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দলবদল নিয়ে উত্তাল সময় পার করছে ফুটবল অঙ্গন।
মেসিকে নেওয়ার পর আয়ের চিত্রপট বদলে গেছে পিএসজির। দেশটির শেয়ার বাজার চাঙ্গা, মেসির জার্সি বিক্রি করে বড় অঙ্কের আয়, এরপর আবার ম্যাচের টিকিট বিক্রি করেও আয়ের রেকর্ড। এ যেন আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ অবস্থা পিএসজির।
‘ঘরে’ অর্থাৎ ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফিরেছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ইংল্যান্ডের এই ক্লাবের হয়েই প্রথম বিশ্বসেরা হওয়ার স্বাদ পেয়েছিলেন তিনি। প্রথম চ্যাম্পিয়নস লিগও জিতেছেন ওল্ড ট্র্যাফোর্ডের ক্লাবটির হয়ে। স্বাভাবিকভাবেই রোনালদোর এই ‘ঘরে’ ফেরা উদ্যাপন করছেন ম্যানইউর ভক্তরা।
গত মৌসুমে রোনালদো ক্লাব ও ইউরোতে দেশের হয়ে মোট ৪৮টি ম্যাচে গোল করেছেন ৪১টি। বয়স ৩৬ হলে দারুণ ফিটনেসে এখনো অন্যান্য ফুটবলারের চেয়ে একধাপ এগিয়ে রোনালদো। তাইতো চেনা ইংলিশ লিগে তার পারফরম্যান্স আর ভবিষ্যত নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে না। বেশ কয়েক বছর শিরোপা খরায় থাকা রেড ডেভিলসের শক্তি নিঃসন্দেহে বেড়েছে এবার। এ লম্বা রেসের ঘোড়াকে দিয়েই আবারো চ্যাম্পিয়নস লিগের ট্রফি এমনকি প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়ন হতে চাইবেন ম্যানইউর কোচ গুনার সলসেকার।
অন্যদিকে পিএসজি ফরাসি লিগে সেরা অনেক দিন ধরেই। কিন্তু চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সাফল্য অধরা। এ কারণেই ইউরোপিয়ান ক্লাব ফুটবলে ট্রফিতে নজর ক্লাবটির। এ অবস্থায় মেসি-নেইমার জুটির হাত ধরে সেই সাফল্য পেতে চাইছে পিএসজি। গত মৌসুমে বার্সেলোনার পাশপাশি কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনার হয়ে দুর্দান্ত খেলেছেন মেসি। ৫৪ ম্যাচে করেছেন ৪২ গোল। সেই সাফল্য তো অনুপ্রেরণা দেবেই। সব মিলিয়ে এটা বলাই যায় এই দুই ফুটবলারকে নিয়ে নিশ্চিত করেই শক্তি বাড়ল ম্যানইউ-পিএসজির। এ দুজনের যোগদানের সঙ্গে দুটি ক্লাবের আয়ই নয়, জনপ্রিয়তা ও দলের শক্তিও বেড়েছে অনেক গুণ।
সোনালীনিউজ/এআর






























-20260725114857.jpg)







