ঢাকা: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-১ ও যশোর-২ আসনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের প্রথম দিনে বিএনপি-জামায়াতসহ সাত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যাচাই-বাছাই শেষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আশেক হাসান এই সিদ্ধান্ত দেন।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে যশোর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যশোর-১ ও যশোর-২ আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা। যাচাই বাছাইয়ে যশোর-১ (শার্শা) আসনে সাত প্রার্থীর মধ্যে তিনজনের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে মফিকুল হাসান তৃপ্তি, স্বতন্ত্র প্রার্থী শার্শা উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান জহির ও আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান আলী গোলদার।
এছাড়া এই আসনে দুই প্রার্থীর মনোনয়নপত্রে তথ্যের ঘাটতি থাকায় বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নুরুজ্জামান লিটন ও জাতীয় পার্টি মনোনীত জাহাঙ্গীর আলম চঞ্চলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। তাদেরকে হালনাগাদ তথ্য সরবরাহের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে। যশোর-১ আসনে মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত মুহাম্মদ আজীজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের বক্তিয়ার রহমান।
যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ১০ জনের মধ্যে মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে চার প্রার্থীর। ব্যাংক ঋণ (ক্রেডিট কার্ড) সংক্রান্ত জটিলতায় জামায়াত ইসলামী মনোনীত ডা. মোহাম্মদ মোসলেহ উদ্দিন ফরিদ, দলীয় মনোনয়নপত্র জমা দিতে না পাড়ায় বিএনপির মোহাম্মদ ইসহাক ও জহুরুল ইসলামের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। আরস্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসানের মনোনয়নপত্রে এক শতাংশ ভোটারের তথ্যে ত্রুটি থাকায় বাতিল হয়েছে।
এই আসনে বিএনএফ মনোনীত প্রার্থী শামসুল হকের মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর ও টিআইএন তথ্য ও জাতীয় পার্টি মনোনীত ফিরোজ শাহ’র টিআইএন ও ব্যাংক ঋণ সংক্রান্ত তথ্য হালনাগাদের জন্য সময় দেওয়া হয়েছে।
যশোর-২ আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন-বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানা, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ইদ্রিস আলী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল বাসদ’র ইমরান খান, আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) রিপন মাহমুদ।
এ ব্যাপারে যশোর জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আশেক হাসান বলেন, বৃহস্পতিবার দুটি আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে বাকী আসনের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে। ৪ জানুয়ারির মধ্যে ৬টি আসনের যাচাই বাছাই সম্পন্ন হবে।
পিএস