বরগুনা-২ (পাথরঘাটা-বামনা-বেতাগী) আসনের চারবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও বিএনপি নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব নূরুল ইসলাম মণিকে নবগঠিত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্বে দেখতে চান স্থানীয়রা।
জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা নতুন করে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয় নেতা ও সাধারণ ভোটাররা মনে করেন, দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নের জন্য অভিজ্ঞ ও দূরদর্শী নেতৃত্ব প্রয়োজন। নূরুল ইসলাম মণি অষ্টম জাতীয় সংসদে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী ছাত্র নূরুল ইসলাম মণি দেশের ইতিহাসে প্রথম তরুণ বয়সে ১৯৮৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রথম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে ১৯৯১, ২০০১ ও ২০২৬ সালে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে এলাকায় শক্ত রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করেন। তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে দক্ষিণাঞ্চলের একজন কারিশমাটিক নেতা হিসেবে পরিচিত করেছে।
বরগুনাবাসীর প্রত্যাশা, সমুদ্র উপকূলভিত্তিক সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে ‘ব্লু ইকোনমি’ কেন্দ্রিক অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার মাধ্যমে হাজারো বেকারের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখা। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব পেলে বরগুনার অবকাঠামো, শিল্পায়ন ও সামুদ্রিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
নূরুল ইসলাম মণির প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী মোঃ রুহুল আমিন জানিয়েছেন, দলের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়ার বিষয় জোর আলোচনা চলছে। একাধিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তিনি নৌপরিবহন, পানি সম্পদ, স্বরাষ্ট্র অথবা গৃহায়ণ ও গণপূর্তের মত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আসতে পারেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ৮২,০০৬ ভোট পেয়ে তিনি বেসরকারিভাবে বিজয়ী হন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডাঃ সুলতান আহমদ। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন এবং আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে মিথ্যা দুর্নীতি মামলা ও হামলার শিকার হয়েছেন।
এসএইচ