পাবনা-৫ (সদর) আসনে জামায়াতের দীর্ঘদিনের প্রভাবকে ভেঙে বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। তাই এবার তাকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায় পাবনার স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ। সততার সঙ্গে ৪৫ বছরের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে তিনি সর্বস্তরের মানুষের আস্থাভাজন হয়েছেন।
১৯৯১ ও ২০০১ সালে এই আসনে এমপি নির্বাচিত হন জামায়াতের বর্ষীয়ান নেতা প্রয়াত মাওলানা আব্দুস সুবহান। ২০০৪ সালে বিএনপি সরকারের সময় শিমুল বিশ্বাসকে বিআইডাব্লিউটিসির চেয়ারম্যান করা হয় এবং তিনি লোকসানি প্রতিষ্ঠানটিকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেন। পাবনার বহু মানুষকে চাকরির সুযোগ দিয়েছেন এবং শিক্ষার পাশাপাশি হাইস্কুল, কলেজ ও ১১০টি মসজিদ নির্মাণসহ বিভিন্ন জনহিতকর কাজ সম্পন্ন করেছেন।
শিমুল বিশ্বাস রাজনৈতিক জীবনের শুরুতে বাম রাজনীতিতে থাকলেও পরে বিএনপিতে যোগ দেন। তিনি প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পাবনা-৫ আসনে বিএনপি প্রার্থী বিজয়ী হওয়ায় পাবনা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাসুদ খন্দকার বলেন, শিমুল বিশ্বাসকে মন্ত্রী বানালে পাবনা জেলা ও সাধারণ মানুষ উপকৃত হবেন। পাবনা নাগরিক কমিটির কো-চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম বিশু বলেন, তাকে মন্ত্রী করা হলে পাবনার মানুষকে সম্মান দেওয়া হবে। পাবনা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ফোরকান রেজা বিশ্বাস বাদশা বলেন, শিমুল বিশ্বাস সর্বজন গ্রহণযোগ্য ও সকলকে সঙ্গে নিয়ে চলতে সক্ষম।
শিমুল বিশ্বাস বলেন, এই বিজয় কোনো ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, এটি পাবনার মানুষের ভালোবাসা, বিশ্বাস ও আস্থার বিজয়। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, পাবনার মানুষের কল্যাণ, ন্যায় ও উন্নয়নে দলমত নির্বিশেষে কাজ করে যাবেন।
এসএইচ