ফরিদপুরে গ্রীষ্মকালীন সবজি সজনের ডাঁটা ১০০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। নতুন সবজি হিসেবে ক্রেতারা আগ্রহের সঙ্গে কিনে নিচ্ছেন, তবে উচ্চ দাম শুনে অনেকেই হতাশ। বিত্তশালীরা চড়া দামে কিনে দিচ্ছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, একসময়ে ফরিদপুরে সজনের গাছ বাড়ির আঙ্গিনা বা পরিত্যক্ত জমিতে সাধারণভাবে জন্মাত, কিন্তু চাহিদা বৃদ্ধির কারণে এখন অনেকেই চাষ করছেন।
সজনের ক্রেতা ইসলাম বলেন, “সজনের ডাঁটা মজাদার খাবার এবং অনেক রোগের প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করে। গরমকালে এটি খেতে বেশ ভালো লাগে।”
দোকানিরা জানান, পাইকারি বেশি দামে কেনার কারণে খুচরাও চড়া দামে বিক্রি করতে বাধ্য। ডাক্তার তমাল কৃষ্ণ বলছেন, “সজনের ফুল, ফল, পাতা ও ছাল মানবদেহের জন্য খুবই উপকারী।”
ফরিদপুর জেলার প্রবীণ শিক্ষক কালিপদ চক্রবর্ত্তী স্মৃতিচারণে বলেন, “গ্রামে বসন্ত রোগের প্রাদুর্ভাব হলে সজন ও দেশি আলুর ঝোল রোগীদের খাওয়ানো হতো। এছাড়া ঠান্ডা লাগলে সজনের ছালের ভর্তা গরম ভাতের সঙ্গে দেওয়া হত।”
ফলস্বরূপ, একসময়ের অবহেলিত সবজি সজন এখন স্বাস্থ্য ও স্বাদের কারণে মানুষের প্রিয় হয়ে উঠেছে, কিন্তু দাম কিছু ক্রেতাকে এখনো ভাবাচ্ছে।
এসএইচ