গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি।
শুক্রবার বিকেলে উপজেলার কাপাসিয়া ইউনিয়নের ভোরের পাখি চরের সিংগীজানী এলাকায় ভাঙনকবলিত স্থান ঘুরে দেখেন তারা। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সার্বিক খোঁজখবর নেওয়া হয়। পরিদর্শন শেষে নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ১০০টি পরিবারের মধ্যে ৩০টি পরিবারকে ৩০ কেজি করে চাল এবং ৭০টি পরিবারকে শুকনা খাবারের প্যাকেট দেওয়া হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, তিস্তার তীব্র ভাঙনে ইতোমধ্যে ওই এলাকায় শতাধিক বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভিটেমাটি হারিয়ে অনেক পরিবার খোলা আকাশের নিচে অথবা পানিতে অস্থায়ীভাবে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। পাশাপাশি বিস্তীর্ণ ফসলি জমি, গাছপালা ও রাস্তাঘাট ভেঙে গেছে। ভাঙন প্রতিরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে জিও ব্যাগ ফেলার কাজ চললেও দ্রুত স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঈফফাত জাহান তুলি জানান, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর তালিকা তৈরির কাজ চলছে। তালিকা অনুযায়ী সরকারি নিয়ম মেনে তাদের পরবর্তী সহায়তার ব্যবস্থা করা হবে।
সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমান বলেন, নদীভাঙন পরিস্থিতি দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার আশ্বাস পাওয়া গেছে, বরাদ্দ পাওয়ার পরপরই ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদান করা হবে।
এ সময় সুন্দরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. বাবুল আহমেদ, উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. শহিদুল ইসলাম মঞ্জু, কাপাসিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মঞ্জু মিয়া ও ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
এসএইচ