নাটোর: নাটোর শহরের বড়হরিশপুরে বাড়ির মালিকের সাড়ে ৮ বছরের শিশুর ডান হাতের আঙুল ধারালো বটি দিয়ে কেটে দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ কনস্টেবল শাকিল হোসেন ও তার স্ত্রী নাছরিনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে তাদের গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। শাকিল হোসেন নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত।
নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান জানান, শহরের বড়হরিশপুর চেয়ারম্যান রোড এলাকার ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের বাড়িতে স্ত্রী ও শিশু কন্যাকে নিয়ে ভাড়া থাকেন কনস্টেবল শাকিল।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, বুধবার বাড়ির মালিকের শিশু সন্তান বায়েজিদ বিন মাহমুদের সঙ্গে শাকিলের ৪-৫ বছর বয়সী শিশুকন্যার খেলাধুলা নিয়ে ঝগড়া হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি মিটিয়ে দেন।
অভিযোগ রয়েছে, এর পরদিন বৃহস্পতিবার শাকিল শিশু বায়েজিদকে বাড়ি থেকে ডেকে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে শাকিল ও তার স্ত্রী নাছরিন মিলে ধারালো বটি দিয়ে বায়েজিদের ডান হাতের একটি আঙুল কেটে দেন।
শিশুটির চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করেন। প্রথমে তাকে নাটোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মাহমুদুল হাসান বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় কনস্টেবল শাকিল হোসেন ও তার স্ত্রী নাছরিনকে আসামি করে মামলা করেন।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাটোর পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বড়হরিশপুর চেয়ারম্যান রোড এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
পিএস