যেসব শিশুকে হামের টিকা না দেওয়ার পরামর্শ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০৭:৫২ পিএম
ফাইল ছবি

ঢাকা: যে সব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ তাদেরকে এ সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর সেটি দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। জরুরি ভিত্তিতে হাম-রুবেলার (এমআর) টিকাদান কার্যক্রম শুরু করছে সরকার। রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে এ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। 

রোববার (৫ এপ্রিল) সকাল ৯টা থেকে এ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। যেসব শিশু জ্বর বা বর্তমানে অসুস্থ রয়েছে তাদের টিকা না দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

শনিবার (৪ এপ্রিল) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

[268458]

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যেসব শিশুর জ্বর রয়েছে বা বর্তমানে অসুস্থ, তাদের এই সময়ে টিকা না দিয়ে সুস্থ হওয়ার পর টিকা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

এছাড়া হাম আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল দেওয়া হবে, যা রোগের জটিলতা কমাতে সহায়ক।

প্রথম ধাপে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার আওতাধীন ৩০টি উপজেলা। পরে পর্যায়ক্রমে তা সারা দেশে সম্প্রসারণ করা হবে। আগামী ২১ মে ২০২৬-এর মধ্যে, পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই এ কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এই জরুরি টিকাদান কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে, যার লক্ষ্য দ্রুত সময়ের মধ্যে দেশের সব শিশুকে সুরক্ষার আওতায় আনা বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

জানা গেছে, প্রাথমকিভাবে দেশের ১৮ জেলার ৩০ উপজেলায় জরুরিভিত্তিতে এ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে। 

এই উপজেলাগুলো হচ্ছে— বরগুনা সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, ঢাকার নবাবগঞ্জ, গাজীপুর সদর, যশোর সদর, ঝালকাঠির নলছিটি, মাদারীপুর সদর, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, নাটোর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, নওগাঁর পোরশা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, সদর ও ভোলাহাট, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, রাজশাহীর গোদাগাড়ী এবং শরীয়তপুরের জাজিরা।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন—স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. এস.এম জিয়াউদ্দিন, স্বাস্থ্যসচিব কামরুজ্জামান চৌধুরী ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ।

এসআই