ইরানের নতুন কৌশলী ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা দুঃসাধ্য, স্বীকার করল ইসরাইল

  • আন্তর্জাতিক ডেস্ক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: মার্চ ১১, ২০২৬, ১০:২৫ এএম

ইসরাইলে হামলার ক্ষেত্রে ইরান তাদের কিছু ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রে গুচ্ছবোমা (ক্লাস্টার ওয়ারহেড) ব্যবহার করছে বলে দাবি করেছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সাম্প্রতিক এক সামরিক মূল্যায়নে আইডিএফ জানিয়েছে, এ ধরনের প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইরান যুদ্ধক্ষেত্রে ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বাড়ানোর কৌশল নিয়েছে।

মঙ্গলবার প্রকাশিত ওই মূল্যায়নে বলা হয়, ক্লাস্টার ওয়ারহেডযুক্ত ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুর কাছাকাছি পৌঁছালে আকাশেই বিস্ফোরিত হয়ে বহু ক্ষুদ্র সাব-মিউনিশনে ভেঙে যায়। প্রতিটি ছোট বোমায় উচ্চমাত্রার বিস্ফোরক থাকে, যা বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ইসরাইলি সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের অস্ত্র প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন। কারণ একটি ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথে ধ্বংস করলেও তার ভেতরের সাব-মিউনিশনগুলো নিচে পড়ে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে। ফলে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কার্যকর হলেও সম্পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়ে।

আইডিএফের হোম ফ্রন্ট কমান্ড জানিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলাগুলোতে শুধু সামরিক স্থাপনাই নয়, জনবসতি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। গত সোমবার মধ্য ইসরাইলের একটি নির্মাণাধীন এলাকায় ক্লাস্টার বোমার আঘাতে দুইজন নিহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া আরও কয়েকটি স্থানে ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটেছে।

ইসরাইলি পর্যবেক্ষকদের ধারণা, ইরান বর্তমানে একসঙ্গে বিপুলসংখ্যক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ না করে তুলনামূলক কম সংখ্যক কিন্তু অধিক বিধ্বংসী অস্ত্র ব্যবহার করছে। তাদের মতে, বড় আকারের সমন্বিত হামলার পরিবর্তে সীমিত আক্রমণেই সর্বোচ্চ ক্ষতি করার কৌশল নিয়েছে তেহরান।

এম