ঢাকা: ইরানের উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা সংস্থা ‘ডিফেন্স কাউন্সিল’জানিয়েছে, ‘শত্রুপক্ষ যদি ইরানের উপকূল বা কোনো দ্বীপে হামলার চেষ্টা চালায়, তবে পারস্য উপসাগরে প্রবেশের সব পথে এবং উপকূলীয় এলাকায় ‘নৌ-মাইন’ বসিয়ে দেওয়া হবে। এর মধ্যে ‘ড্রিফটিং মাইন’ বা ভাসমান মাইনও থাকবে।’
সোমবার দেয়া বিবৃতিতে ইরান জানায়, শত্রু নয় এমন দেশগুলোর হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের একমাত্র পথ হলো ইরানের সঙ্গে সরাসরি ‘সমন্বয়’ করা।
ডিফেন্স কাউন্সিল আরও জানিয়েছে, হামলা হলে কেবল হরমুজ প্রণালিই নয়, বরং পুরো পারস্য উপসাগরই কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়বে। আর এমন পরিস্থিতির জন্য যাবতীয় দায়ভার আক্রমণকারীদের নিতে হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ট্রাম্প যখন বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি দিচ্ছেন, তখন ইরান সমুদ্রপথে মাইন বসিয়ে বিশ্ব অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ হরমুজ প্রণালি বিচ্ছিন্ন করার কথা বলছে।
তাছাড়া, নৌ-মাইন অপসারণ করা অত্যন্ত জটিল এবং সময়সাপেক্ষ কাজ, যা দীর্ঘ মেয়াদে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত করবে।
পিএস