ঢাকা: জাতীয় পর্যায়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ (মরণোত্তর) ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) মন্ত্রিসভা বৈঠকে পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা চূড়ান্ত হয়। সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কার ১৯৭৭ সাল থেকে দেওয়া হচ্ছে। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে প্রতি বছর ২৬ মার্চ এ পদক দেওয়া হয়।
জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিক ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়। পাশাপাশি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকেও স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।
বেগম খালেদা জিয়া (মরণোত্তর) ছাড়াও যারা স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন তারা হলেন: ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, মুক্তিযুদ্ধ; মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), মুক্তিযুদ্ধ; অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি; ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চিকিৎসাবিদ্যা; ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), সাহিত্য; এ, কে, এম, হানিফ (হানিফ সংকেত), সংস্কৃতি; বশির আহমেদ (মরণোত্তর), সংস্কৃতি; জোবেরা রহমান (লিনু), ক্রীড়া; পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), পল্লী উন্নয়ন; ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), সমাজসেবা/ জনসেবা; এস ও এস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, সমাজসেবা/ জনসেবা; মো. সাইদুল হক, সমাজসেবা/ জনসেবা; গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, সমাজসেবা/ জনসেবা; মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর), সমাজসেবা/ জনসেবা; কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর), জনপ্রশাসন; মোহাম্মদ আবদুল বাকী, পিএইচডি, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ; অধ্যাপক ড. এম এ রহিম, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ; অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ এবং আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু), পরিবেশ সংরক্ষণ
পিএস