জাতীয় নির্বাচনে জোটবদ্ধ হয়ে সাফল্য পাওয়ার পর এবার নগর নির্বাচনে নিজেদের শক্তি পরীক্ষায় নামছে জামায়াতে ইসলামী। জাতীয় রাজনীতির সমীকরণ সরিয়ে রেখে ‘স্থানীয় নির্বাচন হবে স্থানীয়ভাবে’-এই নীতির ওপর ভিত্তি করে দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনেই একক মেয়র প্রার্থী চূড়ান্ত করার কৌশলে এগোচ্ছে দলটি।
দলীয় সূত্র জানায়, অধিকাংশ সিটিতে ইতিমধ্যে প্রার্থী বাছাই শেষ হয়েছে। ঢাকা উত্তর সিটিতে দলটির প্রার্থী মহানগর উত্তরের আমির মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। আর ঢাকা দক্ষিণে আলোচনায় আছেন ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম, যদিও একই সিটিতে জোটসঙ্গী জাতীয় নাগরিক পার্টির আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ায় সমঝোতার হিসাব জটিল হয়ে উঠেছে।
চট্টগ্রাম সিটিতে অধ্যক্ষ মুহাম্মদ শামসুজ্জামান হেলালী, বরিশালে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযযম হোসাইন হেলাল ও খুলনায় সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকে প্রার্থী মনোনীত করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জে মহানগর আমির মোহাম্মদ আবদুল জব্বার ও গাজীপুরে ড. মুহাম্মদ হাফিজুর রহমানের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেছে দলটি।
রংপুর সিটিতে মহানগর আমির এটিএম আজম খান, রাজশাহীতে ডা. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর এবং বগুড়ায় আ.খ.ম. আব্দুল মালেক জামায়াতের টিকিট পাচ্ছেন। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও সিলেটে মাওলানা লোকমান আহমদ, কুমিল্লায় মোসলেহ উদ্দিন ও ময়মনসিংহে অধ্যাপক শহীদুল্লাহ কায়সারকে দলীয় সবুজ সংকেত দেওয়া হয়েছে।
জোটের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা ইঙ্গিত দিয়েছেন, দু-একটি স্থানে বিশেষ সমঝোতার সুযোগ থাকলেও রাজধানী ঢাকার দুই সিটিতে কোনো অবস্থাতেই ছাড় দেবে না জামায়াত।
এসএইচ