বিমানবন্দর-কমলাপুর মেট্রোরেলের ভূগর্ভস্থ ৪ স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তর শুরু এ মাসেই

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: অক্টোবর ১৫, ২০২৬, ০৯:৪৪ এএম

রাজধানীর বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত দেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রো রেল এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের চারটি স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ চলতি মাসেই শুরু হতে যাচ্ছে। চুক্তি প্যাকেজ-৩-এর আওতায় কমলাপুর, রাজারবাগ, মালিবাগ ও রামপুরা ভূগর্ভস্থ স্টেশনে এ কাজ শুরু হবে।

ঢাকা মাস র‌্যাপিড ট্রানজিট ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের (এমআরটি লাইন-১) প্রকল্প পরিচালক মো. সারওয়ার উদ্দিন খান এ তথ্য জানান।
 
তিনি বলেন, চুক্তি প্যাকেজ-৪-এর আওতায় নতুনবাজার, উত্তর বাড্ডা, বাড্ডা ও আফতাবনগর স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ এগিয়ে চলছে। উত্তর বাড্ডা, বাড্ডা ও আফতাবনগর স্টেশনে এ কাজ শুরু হয়েছিল ২০২৫ সালের ২০ জানুয়ারি।

প্রকল্পের তথ্য অনুযায়ী, প্যাকেজ-৬-এর আওতায় বিমানবন্দর, টার্মিনাল-৩ ও খিলক্ষেত স্টেশনে এবং প্যাকেজ-৫-এর আওতায় নর্দা স্টেশনে ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।

এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের ১২টি ভূগর্ভস্থ স্টেশনের আশপাশে ছড়িয়ে থাকা ইউটিলিটি লাইন ও সেবা স্থানান্তর করে একটি ‘ইউটিলিটি কমন করিডরে’ নেওয়া হচ্ছে। এ কাজে যুক্ত রয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্রিগেড। নির্মাণকাজ চলাকালে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রাখতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করা হচ্ছে।

প্রকল্প কর্তৃপক্ষের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী, ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ ২০২৭ সালের মার্চের মধ্যে শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে কিছু কার্যক্রম আগামী বছরের অক্টোবর বা নভেম্বর পর্যন্ত চলতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ইঙ্গিত দিয়েছেন।
 
২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এমআরটি লাইন-১-এর নির্মাণকাজ শুরু হয়। প্রকল্পের আওতায় দুটি রুট নির্মাণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে ১৯ দশমিক ৮৭২ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ বিমানবন্দর রুটে ১২টি স্টেশন থাকবে। এ রুট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের সঙ্গে যুক্ত করবে।

অন্যদিকে, ১১ দশমিক ৩৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ পূর্বাচল রুটে সাতটি উড়াল ও দুটি ভূগর্ভস্থ স্টেশন থাকবে। এটি নতুনবাজারকে পূর্বাচলের সঙ্গে যুক্ত করবে।

প্রকল্পের ডিপো নির্মাণের জন্য নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার পিতলগঞ্জ মৌজায় ৩৫ দশমিক ৯০ হেক্টর জমির ভূমি উন্নয়নকাজ ২০২৫ সালের ৩১ আগস্ট শেষ হয়েছে।

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন প্রকল্পটি চালু হলে রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থার সক্ষমতা বাড়বে এবং যানজট কমাতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ।

এম