৫ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পাওয়া কে এই ফুটবলার, অপরাধ কী তার?

  • ক্রীড়া ডেস্ক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: জুন ২৫, ২০২৬, ১২:৪০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

ফুটবল মাঠে চোট আর ফাউল নতুন কিছু নয়, তবে কিছু ট্যাকল মুহূর্তেই রূপ নেয় দুঃস্বপ্নে। তেমনি এক ভয়াবহ ট্যাকলের শিকার হয়ে মাঠের বাইরে ছিটকে গেছেন কানাডার মিডফিল্ডার ইসমাইল কোনে। আর এই গুরুতর ফাউলের অপরাধে কাতার ফুটবল দলের মিডফিল্ডার আসিম মাদিবোকে পাঁচ ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করেছে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি।

গত ১৯ জুন কানাডা ও কাতারের মধ্যকার ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। মাঠের লড়াইয়ে কাতারকে ৬-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে কানাডা বড় জয় পেলেও, সেই আনন্দ বিষাদে রূপ নেয় ম্যাচের ৫১তম মিনিটে। বল দখলের লড়াইয়ে পিছন দিক থেকে ইসমাইল কোনেকে লক্ষ্য করে একটি কড়া ট্যাকল করেন কাতারের আসিম মাদিবো। মুহূর্তেই মাঠে লুটিয়ে পড়েন কানাডার এই মিডফিল্ডার।

ঘটনার ভয়াবহতা দেখে তৎক্ষণাৎ মাঠে ছুটে আসে মেডিকেল টিম। ব্যথায় কোঁকাতে থাকা কোনেকে স্ট্রেচারে করে মাঠ থেকে সরাসরি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে এক্স-রে ও অন্যান্য পরীক্ষায় দেখা যায়, মাদিবোর সেই ট্যাকলে কোনের ডান পায়ের টিবিয়া ও ফিবুলা—উভয় হাড়ই ভেঙে গেছে। পরিস্থিতি এতটাই আশঙ্কাজনক ছিল যে, হাসপাতালে নেওয়ার পরপরই তাঁর পায়ে জরুরি অস্ত্রোপচার করতে হয়।

ভয়াবহ এই ফাউলের অপরাধে ম্যাচের রেফারি মাদিবোকে সরাসরি লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠ থেকে বের করে দিয়েছিলেন। তবে ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করে ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি। পরে ‘গুরুতর ফাউল খেলা’র দায়ে মাদিবোর বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের এই কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

ম্যাচ শেষে অবশ্য নিজের কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত ছিলেন মাদিবো। তিনি ব্যক্তিগতভাবে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন কোনের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন। সফল অস্ত্রোপচারের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের একটি ছবি শেয়ার করে কোনে জানান, কঠিন এই সময়ে যারা তাঁর পাশে ছিলেন এবং খোঁজ নিয়েছেন, সবার প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ।

চিকিৎসকদের মতে, পায়ের হাড় ভেঙে যাওয়ায় দীর্ঘ কয়েক মাস মাঠের বাইরে কাটাতে হবে কানাডার এই উদীয়মান তারকাকে। ফলে আগামী বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলোতে দলের হয়ে তাঁর মাঠে নামা নিয়ে এখন মস্ত বড় অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বড় জয়ের রাতে কোনের এই ছিটকে যাওয়া কানাডা শিবিরের জন্য এক বিরাট ধাক্কা।

এসএইচ