বরগুনা: ফেসবুকে পরিচয় দুই মাস পূর্বে। এর মধ্যেই বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগ প্রেমিক ইলিয়াস হোসেনের বিরুদ্ধে। প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করে শারীরিক অসুস্থতা আর বিয়ের কথা বলে নগদ ও বিকাশে টাকা নিয়েছে ইলিয়াস একাধিকবার। বিয়ের দাবী নিয়ে শরিয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পাঁচচর বিকেনগর থেকে আমতলী উপজেলার আমতলী ইউনিয়নের সেকান্দারখালী গ্রামে প্রেমিকা মর্জিনা আসলে তাকে চেনেনা বলে জানান প্রেমিক ইলিয়াস। বর্তমানে সে পালিয়ে রয়েছেন।
বরগুনার আমতলীর সেকান্দারখালী গ্রামে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা মার্জিয়া (১৬) নামের এক তরুণী।
বুধবার (২১ জুন) সন্ধ্যা থেকে প্রেমিক হাফেজ ইলিয়াসের (১৭) বাড়িতে অবস্থান করে ওই তরুণী। তবে বুধবার সন্ধ্যা থেকে প্রেমিক ইলিয়াস পলাতক রয়েছেন।
প্রেমিক ইলিয়াস আমতলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের সেকান্দরখালী গ্রামের ইব্রাহিম হাওলাদারের ছেলে। সে একজন হাফেজ। মার্জিয়া শরিয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার পাঁচচর বিকেনগর গ্রামের মাছ ব্যবসায়ী মোশারেফ শিকদারের মেয়ে।
বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেওয়া মার্জিয়া বলেন, দুইমাস পূর্বে আমাদের মধ্যে ফেসবুকে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রেমের ফাঁদে ফেলে ইলিয়াস বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন সময় আমার কাছ ৩২ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। গত ২১ জুন বুধবার রাতে আমি ইলিয়াসের বাড়িতে আসলে ইলিয়াস পলিয়ে যায়। তার পরিবারের লোকজন এই সম্পর্ক মানতে নারাজ। বিয়ে না করলে আমি আত্মহত্যা করব।
প্রেমিক ইলিয়াস পলাতক থাকায় এ নিয়ে প্রেমিক ইলিয়াসের মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে ইলিয়াসের বাবা ইব্রাহিম বলেন, ছেলের সঙ্গে ওই মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক হয়েছে কিনা আমি জানিনা। তবে চেষ্টা করছি আজ রাতের মধ্যেই ফয়সালা করার।
এ বিষয়ে আমতলী থানার সহকারী উপ পরিদর্শক আজিজুর রহমান স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের জানান রাতে টহলে থাকা অবস্থায় স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। মেয়ে মার্জিয়ার কোন অভিযোগ না থাকায় স্থানীয়দের সাথে কথা বলে মার্জিয়াকে ইব্রাহিম হাওলাদারের জিম্মায় রেখে আসি।
সোনালীনিউজ/এম



















-20261023105530-20261027104202.jpg)



















