• ঢাকা
  • শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

মৃত্যুর রাতে তাহসিফের বান্ধবীকে ঘিরে রহস্য, দেড় ঘণ্টা কোথায় ছিলেন?


নিজস্ব প্রতিবেদক অক্টোবর ৩১, ২০২৬, ০৮:৩৭ পিএম
মৃত্যুর রাতে তাহসিফের বান্ধবীকে ঘিরে রহস্য, দেড় ঘণ্টা কোথায় ছিলেন?

ছবি: সংগৃহীত

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে তদন্তে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। মৃত্যুর রাতে এক বান্ধবী ও জুনিয়র বন্ধুকে নিয়ে উত্তরার একটি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থান করেছিলেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে গ্রেফতার জুনিয়র বন্ধু আহমেদ শাহরিয়ার রেজা দীপকে চার দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গত ২৭ অক্টোবর রাত ১০টা ১৭ মিনিটে একটি মোটরসাইকেলে করে এক তরুণীকে নিয়ে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের নেস্ট রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে যান তাহসিফ। কিছুক্ষণ পর আরেকটি মোটরসাইকেলে সেখানে পৌঁছান জুনিয়র বন্ধু দীপ। 

পরে হেলমেট পরিহিত দীপসহ তিনজন একসঙ্গে বারের লিফটে ওঠেন। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সেখানে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবস্থানের পর তিনজন মোটরসাইকেলে করে বেরিয়ে যান। এরপর তাহসিফ তার বান্ধবীকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে দীপকে সঙ্গে নিয়ে টঙ্গীর মাজার বস্তি এলাকার দিকে যান।

গত ২৮ অক্টোবর বিকেল সাড়ে চারটার দিকে তুরাগ নদের রাজাবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে হাতঘড়ি ও পকেটে থাকা আইফোনের সূত্র ধরে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে জানাজা ও ১২ নম্বর সেক্টরের কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

এ ঘটনায় ২৯ অক্টোবর দিবাগত রাতে মোহাম্মদপুরের বাবর রোডের একটি বাসা থেকে দীপকে হেফাজতে নেয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পরে পিরোজপুর পিবিআইয়ের সহায়তায় দীপের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে টঙ্গীর তুরাগ নদ সংলগ্ন মাজার বস্তি এলাকা থেকে নম্বরপ্লেটবিহীন একটি কালো রঙের সুজুকি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়।

শনিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াসের আদালত দীপকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর এই আদেশ দেন। তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় ওই রাতের চলাচল ও বিভিন্ন স্থানে তার অবস্থানের তথ্য সংগ্রহ করে বিষয়টি তদন্ত করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

এসএইচ 

Link copied!