ছবি: প্রতিনিধি
মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলায় এ বছর আখের বাম্পার ফলন হয়েছে। বিঘা প্রতি চার গুণ লাভের সম্ভাবনাময় এই আবাদে কৃষকের মুখে হাসি ফুটলেও নিজেদের চেষ্টায় সফল হওয়া চাষিদের অভিযোগ, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কাঙ্ক্ষিত সহায়তা মিলছে না। তবে কৃষি অফিস জানিয়েছে, সরকারি বরাদ্দ কম থাকায় সব চাষিকে সহায়তার আওতায় আনা সম্ভব হচ্ছে না।
কালকিনি কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় চলতি বছর আখ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ১৫৫ হেক্টর নির্ধারণ করা হলেও শেষ পর্যন্ত ১১৫ হেক্টর জমিতে আখের আবাদ হয়েছে।
উপজেলার আড়িয়াল খাঁ নদের কোল ঘেঁষে রামচন্দ্রপুর ও খুনের চর গ্রামের মাঠজুড়ে এখন কেবলই আখের রাজত্ব। এখানে মূলত সাদা বম্বাই, কাজলী গেন্ডারি, রং বিলাস ও বাঁশ গেন্ডারি-এই চার জাতের আখ চাষ হচ্ছে। টসটসে ও সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে এসব জাতের আখের চাহিদা ব্যাপক।
কৃষক জমির মিয়া ও জামাল সরদার জানান, বিঘা প্রতি ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা খরচ হলেও লাভ হয় চার গুণ। আখ চাষ করে অনেকেই অর্থনৈতিক দুর্দশা থেকে মুক্তি পেয়েছেন। কৃষকদের দাবি, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে যথাযথ সহায়তা ও পরামর্শ পেলে এ অঞ্চলে আখ চাষে বিপ্লব ঘটবে।
কালকিনি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সুদীপ বিশ্বাস বলেন, সরকারি প্রণোদনা বা বরাদ্দ কিছুটা কম থাকায় অল্পসংখ্যক চাষিকে সহায়তার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। তবে আগামীতে আখ চাষের পরিধি বাড়াতে প্রণোদনা বৃদ্ধি এবং চাষিদের সহায়তার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।
এসএইচ







































