আন্তর্জাতিক বাজারে টানা ১০ দিন ধরে স্বর্ণের দামে পতন অব্যাহত রয়েছে। শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং সুদহার কমানোর সম্ভাবনা কমে যাওয়ায় এই নিম্নমুখী প্রবণতা তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকদের মত।
মঙ্গলবার বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম একদিনেই ১ শতাংশের বেশি কমে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক বাজারে প্রতি আউন্স সোনার দাম কমে দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৩৪৭ ডলারে। গত এক মাসে মূল্যহ্রাসের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৫ শতাংশের বেশি, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।
এদিকে ঈদুল ফিতরের আগে দুই দফা কমানোর পর দেশের বাজারে আবারও কমেছে স্বর্ণের দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ভরিতে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা কমিয়েছে। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ হয়েছে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা।
বুধবার (২৫ মার্চ) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হবে।
বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ২ লাখ ৪১ হাজার ৪৪৫ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৩০ হাজার ৪৮১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৩০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৬০ হাজার ৯০৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
সবশেষ গত ১৯ মার্চ বিকালে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৪৬ হাজার ৯২৭ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিট থেকেই।
এ নিয়ে চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৪৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ২৬ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ২০ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।
এম







































