ছবি : প্রতিনিধি
ঢাকা: সাত দফা দাবিতে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে রোববার (২১ জুন) ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচি পালিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচিতে ব্যাংকের হাজার-হাজার শেয়ারহোল্ডার, গ্রাহক অংশগ্রহন করেন।
দাবিগুলো হলো- “অবিলম্বে অংশীজনদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে সৎ, যোগ্য, অভিজ্ঞ ও পেশাদার ব্যক্তিদের সমন্বয়ে ইসলামী ব্যাংকের একটি পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন পরিচালনা পর্ষদ গঠন’, ‘২০১৭ সালে গায়ের জোরে ও রাষ্ট্রীয় শক্তি ব্যবহার করে ইসলামী ব্যাংকের যেসকল শেয়ারহোল্ডারদের থেকে বৈধ মালিকানা কেড়ে নেওয়া হয়েছিল, তাদের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়া’, ‘ব্যাংক লুটেরাদের বিচারের জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন এবং এস আলমসহ যারা ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা লুট করেছে, তাদের দ্রুত বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা’, ‘ইসলামী ব্যাংকগুলোতে বিরাজমান আতঙ্ক দূর করা এবং ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে যেকোনো বিতর্কিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক ও সরকারকে বিরত থাকা’।
এছাড়াও ‘ব্যাংকের লুণ্ঠিত অর্থ উদ্ধার ও এস আলমের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা’, ‘ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৮/ক ধারা সংশোধনের মাধ্যমে লুটেরাদের পুনরায় ব্যাংকে পুনর্বাসনের যে ছদ্মবেশী সুযোগ রাখা হয়েছে, তা অবিলম্বে বাতিল করা, জাতীয় সংসদে ইসলামী ব্যাংক নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর অসত্য বক্তব্য এবং ডাকাত এস আলমের হাতে পুনরায় ব্যাংক তুলে দেওয়ার যে প্রচ্ছন্ন আভাস দেওয়া হয়েছে, তা অনতিবিলম্বে প্রত্যাহার করা”
অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুর নবী মানিক জানান, “ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের সাত দফা দাবিতে যেই শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক যৌক্তিক আন্দোলন চালিয়ে আসছে দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সেই আন্দোলন চলমান থাকবে। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের কাছে সচেতন গ্রাহক ফোরাম সাত দফা দাবিতে স্মারকলিপি দেওয়ার পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগ ইতিবাচক মনে হলেও কার্যকর কোনো পদক্ষেপ পরিলক্ষিত হয়নি! যা ইসলামী ব্যাংকের শেয়ারহোল্ডার ও গ্রাহকদের মাঝে নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি অনতিবিলম্বে সাত দফা দাবির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, সাত দফা দাবি পূরণ হলে ইসলামী ব্যাংকে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আসবে, আমানতকারীদের আস্থার সংকট কেটে যাবে।
এএইচ/পিএস







































