ফাইল ছবি
ঢাকা: বীমা আইনে নির্ধারিত সীমার চেয়ে অতিরিক্ত ব্যয় কমেনি গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের। ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে কোম্পানিটি অনুমোদিত সীমার চেয়ে ১০৩ কোটি ৫০ লাখ টাকা বেশি ব্যয় করেছে।
কোম্পানির আর্থিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই সময়ে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্স ৪৬৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকা গ্রস প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে। এর বিপরীতে অনুমোদিত ব্যবস্থাপনা ব্যয় ছিল ১৩৫ কোটি ৮ লাখ টাকা। কিন্তু বাস্তবে ব্যয় হয়েছে ২৩৮ কোটি ৫৭ লাখ টাকা। অর্থাৎ অনুমোদিত সীমার চেয়ে ৭৬ দশমিক ৬২ শতাংশ বেশি।
২০২৩ সালে অতিরিক্ত ব্যয়ের রেকর্ড করে কোম্পানিটি। ওই বছর ৯৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা প্রিমিয়াম সংগ্রহের বিপরীতে ২৭ কোটি ৯৫ লাখ টাকা ব্যয়ের অনুমোদন থাকলেও ব্যয় করা হয় ৫৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা। অতিরিক্ত ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩১ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।
২০২৪ সালেও একই ধারা অব্যাহত থাকে। ৮৫ কোটি ৫৩ লাখ টাকা প্রিমিয়াম সংগ্রহ করে কোম্পানিটি ব্যয় করে ৫১ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। অথচ অনুমোদিত ব্যয় ছিল ২৪ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। ফলে অতিরিক্ত ব্যয় হয় ২৬ কোটি ৬২ লাখ টাকা।
বীমা বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের অতিরিক্ত ব্যয় কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি দুর্বল করে এবং শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশ পাওয়ার সুযোগ কমায়। অতিরিক্ত ব্যয়ের আড়ালে তহবিল তছরুপ হয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
তবে গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জামিরুল ইসলাম স্বীকার করেছেন, বীমা আইনে নির্ধারিত ব্যয়সীমা তারা মানতে পারেননি। তিনি বলেন, অতিরিক্ত ব্যয় কমাতে অলাভজনক শাখা একীভূত করা এবং পুরোনো গাড়ি বিক্রিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
এএইচ/পিএস







































