অত্যাবশ্যকীয় ২৯৫টি ওষুধের তালিকা ও নির্ধারিত মূল্য অনুমোদনের সরকারি সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ন্যাশনাল হেলথ অ্যালায়েন্স (এনএইচএ)। সংগঠনটির মতে, এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে এবং ওষুধপ্রাপ্তিতে বৈষম্য হ্রাস পাবে।
শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে এনএইচএ’র আহ্বায়ক অধ্যাপক শাদরুল ইসলাম ও সদস্য সচিব ডা. আব্দুল আহাদ এ মন্তব্য করেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, উপদেষ্টা পরিষদের সাম্প্রতিক সভায় ২৯৫টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় হিসেবে চিহ্নিত করে নির্ধারিত মূল্যে বাজারজাত করার সিদ্ধান্ত জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এতে করে জনগণ নিরাপদ, কার্যকর ও মানসম্মত ওষুধ সহজলভ্য দামে কিনতে পারবে।
এনএইচএ নেতারা বলেন, “ওষুধের দামে শৃঙ্খলা আনতে আধুনিক ও বাস্তবসম্মত মূল্য নির্ধারণ নীতি সময়োপযোগী পদক্ষেপ। এটি বাস্তবায়ন হলে বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষ চিকিৎসা খরচের চাপ থেকে অনেকটাই স্বস্তি পাবে।”
সংগঠনটির মতে, প্রয়োজনীয় ও কার্যকর ওষুধ পাওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার। স্বচ্ছ মূল্য কাঠামো সেই অধিকার নিশ্চিত করার পথে সরকারকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নেবে।
এই উদ্যোগের জন্য এনএইচএ স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডা. সায়েদুর রহমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে। বিবৃতিতে বলা হয়, এই সিদ্ধান্ত ওষুধ বাজারে নীতিগত শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা জোরদার করবে এবং স্বাস্থ্যখাতের ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়াবে।
এনএইচএ আরও জানায়, অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম যৌক্তিক পর্যায়ে থাকলে বাজারে অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে থাকবে। একই সঙ্গে রোগীরা নিয়মিত চিকিৎসা চালিয়ে যেতে আগ্রহী হবে, যা সামগ্রিকভাবে জনস্বাস্থ্যের জন্য ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে।
সংগঠনটি আশা প্রকাশ করে বলেছে, সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা, চিকিৎসক সমাজ, ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এবং অন্যান্য অংশীজনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই নীতি সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্ভব হবে। এনএইচএ’র মতে, এই উদ্যোগ একটি জনবান্ধব, ন্যায়ভিত্তিক ও টেকসই স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলার শক্ত ভিত্তি তৈরি করছে।
এম







































