ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা: ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সই করার রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ঘোষণা করেছেন, বিশ্বের যে দেশই ইরানকে সামরিক সরঞ্জাম বা অস্ত্র সরবরাহ করবে, সেই দেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আমদানিকৃত সব পণ্যের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। খবর আলজাজিরার।
স্থানীয় সময় বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প সরাসরি এই হুমকি দেন। তিনি লেখেন, ‘যে দেশ ইরানকে সামরিক অস্ত্র সরবরাহ করবে, তাদের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো সব ধরনের পণ্যের ওপর অবিলম্বে ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।’
যদিও ট্রাম্প তার পোস্টে নির্দিষ্ট কোনো দেশের নাম উল্লেখ করেননি, তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন এই হুমকির মূল লক্ষ্য চীন ও রাশিয়া। দীর্ঘদিন ধরেই বেইজিং ও মস্কো ইরানের সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করে আসছে বলে অভিযোগ ওয়াশিংটনের। বিশেষ করে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য আধুনিক প্রযুক্তি সরবরাহের ক্ষেত্রে দেশ দুটির নাম বারবার সামনে এসেছে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে অস্ত্র সরবরাহের এমন অভিযোগ চীন ও রাশিয়া অস্বীকার করে আসছে।
এরপরই আরেক পোস্টে সামরিক জোট ন্যাটোর কার্যকর সহযোগিতা না পাওয়ায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ট্রাম্প লেখেন, ‘যখন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ছিল তখন ন্যাটো পাশে দাঁড়ায়নি। ভবিষ্যতেও তাদের ওপর ভরসা করা যাবে না। গ্রিনল্যান্ডের কথা মনে রেখো, সেই বিশাল, বাজেভাবে পরিচালিত, বরফের টুকরোটা।’
এদিকে আগামী শুক্রবার (১০ এপ্রিল) পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। এমন সময়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে ট্রাম্প আসলে ইরান ও তার মিত্র দেশগুলোর ওপর দরকষাকষির চাপ বাড়াতে চাইছেন বলেই ধারণা বিশ্লেষকদের।
এসআই







































