• ঢাকা
  • বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

ইসরায়েলি হামলায় হামাসের সামরিক প্রধান নিহত


আন্তর্জাতিক ডেস্ক মে ২৭, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম
ইসরায়েলি হামলায় হামাসের সামরিক প্রধান নিহত

ছবি : সংগৃহীত

ঢাকা: ফিলিস্তিনের গাজায় হামাসের সামরিক শাখা কাসসাম ব্রিগেডের প্রধান মোহাম্মদ ওদেহ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েল। গাজা সিটিতে চালানো এক বিমান হামলায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

বুধবার (২৭ মে) ইসরায়েলি কর্মকর্তারা জানান, গতকাল গাজা সিটির একটি এলাকায় চালানো হামলায় ওদেহ নিহত হন। তবে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি হামাস।

হামাসের সাবেক গোয়েন্দা প্রধান মোহাম্মদ ওদেহ চলতি মাসের শুরুতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হওয়া ইজ্জুদ্দিন আল-হাদ্দাদের স্থলাভিষিক্ত হয়ে কাসসাম ব্রিগেডের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। যদিও হামাস আনুষ্ঠানিকভাবে সেই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করেনি।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, গাজায় হামাসের সামরিক শাখার চতুর্থ শীর্ষ কমান্ডারকে গতকাল নির্মূল করা হয়েছে এবং তাকে তার সঙ্গীদের সঙ্গে নরকের গভীরে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী কাটজ জানান, ইসরায়েলি বাহিনী ওদেহকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।

এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও ওদেহ নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে। তারা দাবি করে, ওদেহ এবং তার সহযোগীদের গতিবিধি শনাক্ত করতে কয়েক মাস ধরে গোয়েন্দা নজরদারি চালানোর পর এই অভিযান পরিচালিত হয়।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের হামলার পরিকল্পনা ও সমন্বয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিলেন মোহাম্মদ ওদেহ।

বিবৃতিতে বলা হয়, ওদেহ হামাসের সামরিক শাখার শেষ দিকের জ্যেষ্ঠ কমান্ডারদের একজন, যিনি ৭ অক্টোবরের হামলার পরিকল্পনা, বাস্তবায়ন এবং পরবর্তীতে ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনায় ভূমিকা রেখেছিলেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের হামলার জবাবে গাজায় সামরিক অভিযান শুরু করে ইসরায়েল। ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এরপর থেকে ৭২ হাজার ৮০০-এর বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন।

যুদ্ধ চলাকালে হামাসের বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকেও হত্যা করেছে ইসরায়েল।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন হামাসের সাবেক রাজনৈতিক প্রধান ইসমাইল হানিয়া, গাজায় সংগঠনটির নেতা ইয়াহইয়া সিনওয়ার, কাসসাম ব্রিগেডের দীর্ঘদিনের প্রধান মোহাম্মদ দেইফ এবং ইয়াহইয়া সিনওয়ারের উত্তরসূরি মোহাম্মদ সিনওয়ার।

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতির পরও গাজায় সহিংসতা পুরোপুরি থামেনি।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে অন্তত ৯০৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আর ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া সংঘাতে নিহতের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭২ হাজার ৮০৩ জনে।

এসআই

Link copied!