• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ২৬ মে, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

স্বর্ণের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব


আন্তর্জাতিক ডেস্ক মে ২৬, ২০২৬, ০৭:৩৭ পিএম
স্বর্ণের বাজারে নেতিবাচক প্রভাব

ফাইল ছবি

ঢাকা: আন্তর্জাতিক বাজারে মঙ্গলবার স্বর্ণের দামে পতন দেখা গেছে। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার পর ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, যা স্বর্ণবাজারে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।

বাজার বিশ্লেষকদের মতে, তেলের দাম বৃদ্ধি বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়াতে পারে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ সুদের হার দীর্ঘ সময় উচ্চ পর্যায়ে রাখতে পারে—এমন আশঙ্কায় বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণ থেকে কিছুটা সরে আসছেন।

মঙ্গলবার স্পট গোল্ডের দাম ০.৭ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৩৭.১০ ডলারে নেমে আসে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের জুন ডেলিভারির স্বর্ণ ফিউচার প্রায় অপরিবর্তিত থেকে ৪ হাজার ৫৩৬.৮০ ডলারে লেনদেন হয়।

বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান অ্যাকটিভট্রেডসের বিশ্লেষক রিকার্ডো এভানজেলিস্তা বলেন, ইরান পরিস্থিতি ঘিরে অনিশ্চয়তা তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে, যা মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা আরও তীব্র করেছে এবং ফেডের কঠোর মুদ্রানীতির প্রত্যাশা বাড়িয়েছে। ফলে সুদবিহীন সম্পদ হিসেবে স্বর্ণের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে স্বর্ণের বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। একই সঙ্গে বিনিয়োগকারীরা যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনার অগ্রগতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন পিসিই (PCE) মূল্যস্ফীতি তথ্য প্রকাশের দিকে নজর রাখছেন।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।

সিএমই গ্রুপের ফেডওয়াচ টুল অনুযায়ী, বাজারে এখন বছরের শেষ নাগাদ ফেডের সুদের হার বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। ডিসেম্বর মাসে ২৫ বেসিস পয়েন্ট সুদ বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৪১ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।

অন্যদিকে, UBS তাদের বছরের শেষের স্বর্ণমূল্যের পূর্বাভাস ৪০০ ডলার কমিয়ে ৫,৫০০ ডলারে নামিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, উচ্চ বন্ড ইয়িল্ড ও শক্তিশালী ডলারের কারণে স্বর্ণের ওপর চাপ অব্যাহত থাকতে পারে।

তবে ইউবিএস মনে করছে, বৈশ্বিক ঋণের চাপ, যুক্তরাষ্ট্রের রাজস্ব ঘাটতি এবং বিভিন্ন দেশের রিজার্ভ বৈচিত্র্যকরণের প্রবণতা দীর্ঘমেয়াদে স্বর্ণসহ কঠিন সম্পদের চাহিদা ধরে রাখবে।

এদিকে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর বাজারেও দরপতন দেখা গেছে। স্পট সিলভারের দাম ২.২ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৭৬.৩৭ ডলারে নেমেছে। প্লাটিনাম ০.৯ শতাংশ কমে ১,৯৪৯.৫৪ ডলারে এবং প্যালাডিয়াম ১.৭ শতাংশ কমে ১,৩৭৪ ডলারে লেনদেন হয়েছে।

পিএস

Link copied!