• ঢাকা
  • রবিবার, ০৫ জুলাই, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

আমাকে থামাতে হলে মেরে ফেলতে হবে: মমতা


আন্তর্জাতিক ডেস্ক জুলাই ৫, ২০২৬, ১১:০০ এএম
আমাকে থামাতে হলে মেরে ফেলতে হবে: মমতা

ফাইল ছবি

বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর থেকেই কার্যত দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের একাংশ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আলাদা শিবির তৈরি করেছে এবং ইতিমধ্যেই বিধানসভায় বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতিও পেয়েছে তারা। এমন পরিস্থিতিতে এক ভিডিও বার্তায় বিদ্রোহী শিবিরের তীব্র সমালোচনা করেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভিডিও বার্তায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বেইমানি করারও একটা সীমা থাকা উচিত। দুই মাসও ধৈর্য ধরতে পারলেন না? আপনারা এখন সরাসরি বিজেপি করছেন। বিজেপি করবেন আর তৃণমূলের নাম ব্যবহার করবেন, সেটা হতে পারে না। সাহস থাকলে সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিন।

তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান, তিনি রাজনীতি ছাড়ছেন না এবং তাকে নিয়ন্ত্রণও করা যাবে না। তিনি বলেন, আমি কোথাও যাচ্ছি না। আমাকে থামাতে হলে মেরে ফেলতে হবে।

দলীয় প্রতীক নিয়ে সম্ভাব্য টানাপড়েন প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রী বলেন, বিজেপির হয়ে দল ভাঙার চক্রান্ত চলছে। ভাবছেন আমি মরে গেছি? আমাদের কর্মীরা শেষ হয়ে গেছে? প্রতীক কেড়ে নিতে পারেন, কিন্তু তাতে কিছু যায় আসে না। প্রতীক সেটাই, যেটা মানুষ গ্রহণ করে, তৃণমূল কর্মীরা গ্রহণ করে।

নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে তৃণমূলকে ভাঙার চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, আমি জানি তারা প্রতীক পাবে না। কিন্তু যদি ভ্যানিশ কুমার (প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার) বাবু আমাদের দল শেষ করার জন্য প্রতীক দিয়েও দেন, তাতেও কিছু যায় আসে না। দরকার হলে আমি গলায় প্রতীক ঝুলিয়ে মানুষের কাছে বেরোব।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরের সংঘাত এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। একদিকে বিদ্রোহী শিবির নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করছে, অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি তাদের বিজেপির ঘনিষ্ঠ বলে আক্রমণ করছেন। ফলে আগামী দিনে দলীয় প্রতীক, সংগঠন এবং রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সংঘাত আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, রাজ্যের রাজনৈতিক পালাবদলের পরও যে লড়াই এখনও শেষ হয়নি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এদিনের বার্তায় সেই ছবিই আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

এসএইচ 

Link copied!