• ঢাকা
  • শুক্রবার, ০৯ ডিসেম্বর, ২০২২, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

জেলায় জেলায় সরকারি কর্মচারীদের মানববন্ধন


নিজস্ব প্রতিবেদক অক্টোবর ১, ২০২২, ০৩:১৩ পিএম
জেলায় জেলায় সরকারি কর্মচারীদের মানববন্ধন

ঢাকা: নবম জাতীয় পে-স্কেল, বেতন বৈষম্য নিরসন, ৫০শতাংশ মহার্ঘ ভাতাসহ ৭ দফা দাবিতে সারাদেশে মানববন্ধন করেছেন নিম্ন গ্রেডের (১১-২০) সরকারি কর্মচারীরা।

পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী শনিবার (১ অক্টোবর) সকালে দেশের সকল জেলায় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মচারীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, মাদারীপুর, জামালপুর, নীলফামারী, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, মুন্সিগঞ্জ, গাইবান্ধা, ভোলা, বগুড়া, রংপুর, গোপালগঞ্জ, ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া, নারায়ণগঞ্জ, পিরোজপুর, ফেনী, বরিশাল, নেত্রকোনা, মাগুরাসহ দেশের সকল জেলায় মানববন্ধনে অংশ নেন সরকারি কর্মচারীরা।

মানববন্ধন শেষে ২ অক্টোবর জেলা প্রসাশকদের (ডিসি) মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হবে। 

স্মারকলিপিতে সরকারি কর্মচারীদের নবম পে-স্কেল বাস্তাবায়নের লক্ষ্যে পে-কমিশন গঠন, অন্তর্বর্তীকালীন সময়ের জন্য মহার্ঘভাতা প্রদান, মন্ত্রণালয়ের ন্যায় পদ-পদবি প্রদানসহ এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রনয়নের মাধ্যমে বৈষম্য দূরীকরণ এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ১০ ধাপে নবম পে-স্কেল প্রদান, ২০১৫ সালে প্রত্যাহারকৃত টাইমস্কেল, সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল ও শতভাগ পেনশন ব্যবস্থা চালুসহ ৭ দফা দাবি জানানো হয়েছে।

গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন ডেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারি দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ। 

ঘোষণায় বলা হয়, এরপরও দাবি পুরন না হলে জোটের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের উদ্যেগে আগামী ১৫ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন শেষে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন গণভবন অভিমুখে পদযাত্রা ও ৭ দফা দাবি সপক্ষে স্বারকলিপি প্রদান করবে সংগঠনটি। 

প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি।
প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি।
প্রধানমন্ত্রীকে স্মারকলিপি।

‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায়ে ঐক্য পরিষদ’-এর ৭ দফা দাবিসমূহ:

১। পে-কমিশন গঠন পূর্বক ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে। পে-স্কেল বাস্তবায়নের পূর্বে অন্তর্বতীকালীন কর্মচারীদের জন্য ৫০% মহার্ঘ্য ভাতা প্রদান করতে হবে।

২। ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা অনুযায়ী ১০ ধাপে বেতন স্কেল নির্ধারণসহ পে-কমিশনে কর্মচারী প্রতিনিধি রাখাতে হবে।

৩। সচিবালয়ের ন্যায় সকল দপ্তর, অধিদপ্তরের পদ পদবী পরিবর্তনসহ এক ও অভিন্ন নিয়োগবিধি প্রনয়ণ করতে হবে।

৪। টাইম স্কেল সিলেকশন গ্রেড পূণর্বহাল সহ বেতন জ্যেষ্ঠতা পূনঃবহল, বিদ্যমান গ্রাচুইটি/আনুতোষিকের হার ৯০% এর স্থলে ১০০% নির্ধারণ ও পেনশন গ্রাচুইটি ১ টাকার সমান ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

৫। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের আপীল বিভাগের রায় বাস্তবায়নসহ সহকারী শিক্ষকদের বেতন নিয়োগ বিধি-২০১৯ এর ভিত্তিতে ১০ম গ্রেডে উন্নীতকরণ।

৬। আউট সোর্সিং পদ্ধতি বাতিল পূর্বক উক্ত পদ্ধতিতে নিয়োগকৃত ও উন্নয়ন খাতের কর্মচারীদের রাজস্বখাতে স্থানান্তর করতে হবে। ব্লক পোষ্টে কর্মরত কর্মচারীসহ সকল পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা ৫ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড প্রদান করতে হবে।

৭। বাজারমূল্যের উর্দ্ধগতি ও জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সাথে সমন্বয় পূর্বক সকল ভাতাদি
পুনঃনির্ধারণ করতে হবে। চাকুরীতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ বছর ও অবসরের বয়স সীমা ৬২ বছর নির্ধারণ করতে হবে। 

সোনালীনিউজ/আইএ

Wordbridge School