• ঢাকা
  • রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

এক্সিলারেটের টার্মিনাল চালু, বেড়েছে এলএনজি সরবরাহ


নিজস্ব প্রতিবেদক আগস্ট ২২, ২০২৬, ০৮:২৯ পিএম
এক্সিলারেটের টার্মিনাল চালু, বেড়েছে এলএনজি সরবরাহ

ফাইল ছবি

ঢাকা: মহেশখালীর এক্সিলারেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনালটি তিন দিন বন্ধ থাকার পর আজ শনিবার চালু হয়েছে।

শনিবার (২২ আগস্ট) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, তিন দিন আগে এক্সিলারেটের টার্মিনালে মজুত এলএনজি শেষ হয়ে যায়। এতে এই টার্মিনাল থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে গ্যাস সংকটে এর প্রভাব পড়ে।

এর আগে, পেট্রোবাংলা জানিয়েছিল, এক্সিলারেটের টার্মিনালের জন্য পরবর্তী এলএনজি কার্গো রোববার আসতে পারে। ফলে, তার আগে আমদানি করা গ্যাসের সরবরাহে বড় ধরনের উন্নতির সম্ভাবনা কম ছিল। তবে, নির্ধারিত সময়ের আগেই নতুন কার্গো পৌঁছানোয় পরিস্থিতিতে কিছুটা পরিবর্তন এসেছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার বিকেলে সামিটের টার্মিনালের জন্য আনা আরেকটি এলএনজি কার্গো ভিড়েছে। এতে ওই টার্মিনালে এলএনজির মজুত বেড়েছে। তবে, পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সামিটের টার্মিনাল আগে থেকেই সর্বোচ্চ সক্ষমতায় দৈনিক প্রায় ৫৭ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করছে। তাই নতুন কার্গো এলেও তাৎক্ষণিকভাবে অতিরিক্ত গ্যাস সরবরাহের সুযোগ নেই।

গত বুধবার দুপুরের পর এক্সিলারেটের টার্মিনালে সরবরাহযোগ্য এলএনজির মজুত শেষ হয়ে যায়। এর ফলে, সেখান থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়। তবে সামিটের অন্য টার্মিনাল থেকে সরবরাহ অব্যাহত ছিল।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ৫৭ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। একই সময়ে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে সরবরাহ ছিল ১৬২ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট। সব মিলিয়ে গ্যাস সরবরাহ দাড়ায় ২১৯ কোটি ৬০ লাখ ঘনফুট।

দেশে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট। সেই হিসাবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ৫৭ দশমিক ৮ শতাংশ। ঘাটতি ছিল প্রায় ১৬০ কোটি ঘনফুট। দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের সম্মিলিত দৈনিক সরবরাহ সক্ষমতা প্রায় ১১০ কোটি ঘনফুট। এর বিপরীতে বৃহস্পতিবার সরবরাহ ছিল সক্ষমতার প্রায় ৫২ শতাংশ।

এসআই

Link copied!