• ঢাকা
  • শনিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২১, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৭

জয়ী হলেও গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবে না বিদ্রোহীরা


নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারি ১৭, ২০২১, ০৬:৫৮ পিএম
জয়ী হলেও গুরুত্বপূর্ণ পদ পাবে না বিদ্রোহীরা

ফাইল ছবি

ঢাকা: পৌরসভা নির্বাচনে অংশ নেয়া আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীদের ভবিষ্যতে দলের কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে বিবেচনায় আনা হবে না বলে সাফ জানিয়ে দিলেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
  
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে নির্বাচন করে জয় পেলেও ভবিষ্যতে বিদ্রোহীদের দলের কোনও গুরুত্বপূর্ণ পদে আর বিবেচনায় আনা হবে না। পরবর্তী ধাপের নির্বাচনে দলের সিদ্ধান্ত না মানলে এবং দলের শৃঙ্খলা বিরোধী কোন কাজ করলে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তারা (নেতাকর্মীরা) জয় হোক কিংবা পরাজয় হোক পরবর্তী নির্বাচনে আর মনোনয়ন পাবে না, এটাই আওয়ামী লীগ এবং শেখ হাসিনার সিদ্ধান্ত।

রোববার (১৭ জানুয়ারি) ওবায়দুল কাদের তার সরকারি বাসভবন থেকে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান।

দ্বিতীয় ধাপে ৬০টি পৌরসভায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে শনিবার, এতে বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করেছে। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিজয়ী সবাইকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এ বিজয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী ও মানবিক নেতৃত্বে এগিয়ে যাওয়া উন্নয়ন, অগ্রযাত্রা এবং সমৃদ্ধির বিজয়।

তিনি এ বিজয়কে গণতন্ত্রের অভিযাত্রাকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নেওয়ার বিজয় বলেও মতপ্রকাশ করেন।

ওবায়দুল কাদের জানান ব্যাপক, ভোটার উপস্থিতি শেখ হাসিনা সরকার ও নির্বাচন ব্যবস্থার ওপর জনগণের অব্যাহত আস্থারই বহিঃপ্রকাশ। 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা দেশের নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, নির্বাচন নিয়ে কথায় কথায় হতাশা প্রকাশ করে, গতকালের (শনিবার) নির্বাচনে জনগণ তাদের উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারের জবাব দিয়েছে। 

‘ভোটকেন্দ্র সরকারি দলের দখলে ছিল’ বিএনপির এমন অভিযোগ প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের পাল্টা প্রশ্ন করে বলেন, তাহলে তাদের ৪ জন প্রার্থী কীভাবে বিজয়ী হলেন?

তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা মাঠে না গিয়ে ঘরে বসে শীত উদযাপন করে। কর্মীরা ভোট দিতে চাইলেও মাঝদুপুরে ভোট বর্জনের সংস্কৃতি তাদের তাড়া করে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, নেতৃত্বের দুর্বলতা আর অস্বচ্ছ রাজনীতিই বিএনপিকে ভোটের রাজনীতি থেকে দিন দিন পিছিয়ে দিচ্ছে। তারা জনগণের কাছে ভোট না চেয়ে সরকারের অন্ধ সমালোচনা ও মিথ্যাচারকেই ব্রত হিসেবে নিয়েছে। যা প্রকারান্তরে তাদের রাজনৈতিক অস্তিত্বকে দুর্বল করে তুলছে।

সোনালীনিউজ/আইএ