• ঢাকা
  • রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

অভিনব এক প্রযুক্তি ‘কুলিং ভেস্ট’ বেছে নিয়েছে স্প্যানিশরা


সোনালী ডেস্ক জুন ১৪, ২০২৬, ০৫:২৪ পিএম
অভিনব এক প্রযুক্তি ‘কুলিং ভেস্ট’ বেছে নিয়েছে স্প্যানিশরা

ছবি: সংগৃহীত


বিশ্বকাপে স্পেনের সামনে এখন সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়িয়েছে তীব্র ও অসহনীয় গরম। মেক্সিকো, কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ আয়োজনের এই আসরে আবহাওয়াগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অভিনব এক প্রযুক্তি বেছে নিয়েছে স্প্যানিশরা। তপ্ত রোদে নিজেদের সতেজ রাখতে বিশেষ ‘কুলিং ভেস্ট’ ব্যবহার করছেন লামিনে ইয়ামালরা।

স্প্যানিশ দৈনিক ‘মার্কা’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেপ ভার্দের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ম্যাচের আগে তেনেসির চ্যাটানুন্ডায় অনুশীলনে ঘাম ঝরাচ্ছেন লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যরা। সেখানে তীব্র তাপদাহ ও আর্দ্রতার মধ্যে ফুটবলারদের ফিটনেস ধরে রাখতে এই ‘কুলিং ভেস্ট’ ব্যবহার করা হচ্ছে।

স্পেন দলে ব্যবহৃত এই নতুন প্রযুক্তির নাম ‘ক্লাইমাকুল সিস্টেম’। এটি তৈরি করেছে বিশ্বখ্যাত ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এডিডাস। এই সিস্টেমে রয়েছে বিশেষ ধরনের কুলিং ভেস্ট, ইনসুলেটেড জ্যাকেট এবং বিশেষ জুতার কভার। ভেস্টের ভেতরে থাকা বিশেষ জেল ব্যবহারের আগে ফ্রিজে জমিয়ে বরফ করা হয়। পরে খেলোয়াড়রা এটি পরলে সেই জেল ধীরে ধীরে শরীরের তাপ শোষণ করে শরীরের ওপরের অংশ, পেট ও পিঠে শীতলতা ছড়ায়। এতে তীব্র গরমেও শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা দ্রুত স্বাভাবিক অবস্থায় নেমে আসে।

স্প্যানিশ ফুটবল ফেডারেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এই বিশেষ ভেস্ট ও জ্যাকেট একজন ক্রীড়াবিদের শরীরের অভ্যন্তরীণ তাপমাত্রা প্রায় ০.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং ত্বকের বাহ্যিক তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমাতে সক্ষম।

স্পেন দলের ফিটনেস কোচ কার্লোস ক্রুজ জানিয়েছেন, কুলিং ভেস্ট খেলোয়াড়দের দ্রুত পুনরুদ্ধারে সহায়তা করে এবং ক্লান্তি দেরিতে আসতে সাহায্য করে। তাঁর ভাষায়, ‘শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে খেলোয়াড়দের আরও কার্যকরভাবে পুনরুদ্ধার করতে সাহায্য করে এই ভেস্ট। এতে ক্লান্তি কিছুটা বিলম্বিত হয় এবং পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়াও দ্রুত হয়।’

তিনি আরও জানান, শুধু অনুশীলনের পরই নয়, ম্যাচের ওয়ার্ম-আপ এবং কিক-অফের মধ্যবর্তী সময়েও এই ভেস্ট ব্যবহার করা হতে পারে, যাতে খেলোয়াড়রা তুলনামূলক সতেজ অবস্থায় মাঠে নামতে পারেন। একই সঙ্গে বিশেষ কুলিং বুট-কভারও ব্যবহার করা হচ্ছে, যা পায়ের মাধ্যমে শরীরের তাপমাত্রা কমাতে সাহায্য করে।

এবারের বিশ্বকাপের তীব্র গরমে স্পেনের মতো মোট ১৪টি জাতীয় দল তাদের অনুশীলনে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। যদিও স্পেনের প্রথম ম্যাচটি হবে আটলান্টার ছাদযুক্ত স্টেডিয়ামে। তবে আউটডোরে অনুশীলনের কারণে কড়া রোদের চ্যালেঞ্জ নিতে হচ্ছে তাদের।

আগামীকাল সোমবার কেপ ভার্দের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের মিশন শুরু করবে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।

এসএইচ 

Link copied!