পিরোজপুরের ৩টি আসনের ৪১৮টি কেন্দ্রে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে বৃহস্পতিবার সকাল ৭.৩০টা থেকে বিকেল ৪.৩০টা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তায় তিনটি আসনের কেন্দ্রগুলোতে ৮ হাজারের বেশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সদস্য নিয়োজিত ছিলেন। সকাল থেকে পুরুষ ভোটারের তুলনায় নারী ভোটারের উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া শতবর্ষী নারী-পুরুষসহ অসুস্থ রোগীরাও কেন্দ্রে এসে ভোট প্রদান করেছেন।
এ পর্যন্ত জেলার কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। ভোটাররা নির্বিঘ্নে ভোট দিয়ে বাড়ি ফিরেছেন। পিরোজপুরের ৩টি আসনে প্রধান দুটি দল বিএনপি ও জামায়াতসহ স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের মোট ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। মোট ১০ লাখ ৪২ হাজার ৮২৭ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।
একাধিক ভোটার জানান, দীর্ঘ ১৭ বছর পর স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পেরে তারা আনন্দিত। পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়েছেন। তারা শান্তিপূর্ণ ভোটের পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি কোনো ষড়যন্ত্র হলে তরুণরা আবারও জুলাই আন্দোলনের হুশিয়ারী দিয়েছেন।
পিরোজপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বন্যা খাতুন বলেন, “আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সুন্দরভাবে নির্বাচন পরিচালনা করছি। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সকলে সমন্বয় করে সুষ্ঠু পরিবেশে ভোট দেয়ার জন্য কাজ করছি। এখন পর্যন্ত নির্বাচনকে বানচাল করার কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।”
এসএইচ