ফেল করা শিক্ষার্থীদের করণীয় কী, জানালেন বোর্ড চেয়ারম্যান

  • নিজস্ব প্রতিবেদক | সোনালী নিউজ
  • প্রকাশিত: অক্টোবর ৩১, ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম
ফাইল ছবি

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। দেশের মোট ১২ লাখ ৪০ হাজার ৭৯৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী। আর বিভিন্ন বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন। গতবারের তুলনায় পাসের হার ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ কমার পাশাপাশি কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে হতাশ অনেক শিক্ষার্থী।

এমন পরিস্থিতিতে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীরা আগামী এক মাসের মধ্যে নতুন করে পরীক্ষা দিতে পারবেন।

এই শিক্ষার্থীদের করণীয় সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়েছেন বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। শনিবার দুপুরে গণমাধ্যমকে তিনি জানান, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় যেসব শিক্ষার্থী এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছেন, তারা নতুন করে ফরম পূরণ করে পুনরায় পরীক্ষায় বসার সুযোগ পাবেন।

বোর্ড চেয়ারম্যান আরও জানান, আগামী তিন দিনের মধ্যে এই পুনঃপরীক্ষার সুনির্দিষ্ট তারিখ এবং একটি বিস্তারিত গাইডলাইন প্রকাশ করা হবে। তবে পরীক্ষায় অংশ নিতে ইচ্ছুক ফেল করা শিক্ষার্থীদের অবশ্যই নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় নতুন করে ফরম পূরণ সম্পন্ন করতে হবে।

প্রকাশিত ফলাফলের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এবার মোট উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছাত্রীদের পাসের হার ৫৬ দশমিক ৩১ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৪৭ দশমিক ৭৫ শতাংশ। অন্যদিকে ছাত্রদের ফেল করার হার ৫২ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং ছাত্রীদের ৪৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে ঢাকা বোর্ডে সর্বোচ্চ ৬১ দশমিক ৮০ শতাংশ পাস করলেও সবচেয়ে পিছিয়ে থাকা বরিশাল বোর্ডে পাসের হার ৪৪ দশমিক ৮৪ শতাংশ। সামগ্রিক ফলাফলে ধাক্কা খাওয়া শিক্ষার্থীরা এখন বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ফরম পূরণ করে নতুন পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।

এসএইচ