বিভিন্ন কেন্দ্রে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ভোটের ফলাফল কারচুপি করা হচ্ছে এমন অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে ভোট পুনর্গণনার দাবি জানিয়েছে দলটি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত ২টা ২০ মিনিটে বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন দলটির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
তিনি দাবি করেন, যেসব আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন, সেসব আসনে তাদের হারাতে ফলাফল ট্যাম্পারিং করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, “কেন্দ্র থেকে এক ধরনের ফলাফল আসছে, আর রিটার্নিং কর্মকর্তার দফতর থেকে আরেক ধরনের ফলাফল দেওয়া হচ্ছে এমন প্রমাণ আমাদের হাতে রয়েছে।
ঢাকার কয়েকটি আসনে পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণার আগেই বিএনপি প্রার্থীর নিজেকে বিজয়ী ঘোষণা করার ঘটনাকে ‘মানসিক চাপ সৃষ্টির চেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করেন আসিফ মাহমুদ। তিনি অভিযোগ করেন, বেসরকারি ফলাফলে এনসিপি প্রার্থী এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও কিছু স্থানে মব সৃষ্টি করা হয়েছে।
শাপলা কলি প্রতীকের এক প্রার্থী বিএনপির প্রার্থীর চেয়ে বেশি ভোট পেলেও রিটার্নিং কর্মকর্তা উল্টো ফল ঘোষণা করেছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঢাকা-৮ আসনের প্রসঙ্গ টেনে এনসিপির এই নেতা বলেন, “বাতিল ভোট হিসেবে গণ্য হওয়ার কথা থাকলেও কিছু ব্যালট ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে গণনা করা হয়েছে।”
তিনি দাবি করেন, “ব্যালট পেপারে সঠিক জায়গায় সিল না থাকা সত্ত্বেও সেগুলো ধানের শীষের পক্ষে গণনা করে মির্জা আব্বাসকে জয়ী করার চেষ্টা চলছে।” এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা পরস্পরের ওপর দায় চাপাচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেন আসিফ মাহমুদ।
উত্থাপিত অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে প্রতিটি বিষয় খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান এনসিপির মুখপাত্র। সংশ্লিষ্ট আসনগুলোতে ভোট পুনর্গণনা করে পুনরায় ফলাফল ঘোষণা এবং সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশের আগে কোনও ফলাফল চূড়ান্ত না করার দাবি জানান তিনি।
এম