ছবি : সংগৃহীত
কুমিল্লা: কুমিল্লায় ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে ১২ জন নিহতের ঘটনায় দুই গেটম্যানের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। শেফালী আক্তার নামে আহত এক বাসযাত্রী বাদী হয়ে লাকসাম রেলওয়ে থানায় এ মামলা করেন।
আসামিরা হলেন- গেটম্যান হেলাল উদ্দিন ও ওয়েম্যান মেহেদী হাসান। অপরদিকে বাদী শেফালী আক্তারের বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে, তিনি নিহত যাত্রী সোহেল রানার খালা।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে লাকসাম রেলওয়ে থানার ওসি জসীমউদ্দীন জানান, দায়িত্বে অবহেলাজনিত কারণে মামলা করেছেন নিহত সোহাগ রানার খালা শেফালী আক্তার। তিনিও ওই বাসে ছিলেন।
ওসি জসীমউদ্দীন জানান, মালয়েশিয়া প্রবাসী সোহেল রানা ঈদ করতে দেশে আসেন চুয়াডাঙ্গার নিজ বাড়িতে। সেখান থেকে ঈদের দিন কুমিল্লার লাকসামে খালার বাড়িতে বেড়াতে আসার সময় রেলক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান। একই দুর্ঘটনায় আহত হন সোহেল রানার স্ত্রী ও মেয়ে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
শনিবার ঈদের দিন ভোরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার পদুয়ার বাজারে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের লেভেল ক্রসিংয়ে ঢাকা মেল ট্রেনের ঢাকায় মামুন স্পেশাল নামের একটি বাসের ১২ জন যাত্রী নিহত হয়। এছাড়াও গুরুতর আহত হয় অন্তত আট জন যাত্রী। এই ঘটনায় পদুয়ার বাজার এলাকায় রেলগেইটের দুই দায়িত্বরত কর্মচারী হেলাল ও মেহেদীকে বরখাস্ত করা হয়।
আহতদের দাবি, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী ট্রেন আসার সময় বাজার রেলওয়ে ওভার পাশে লেভেল ক্রসিংয়ে গেট সময়মত বন্ধ করতে পারেনি দুই গেটম্যান। এতে ওই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে।
এসআই







































