ছবি : প্রতিনিধি
ঝালকাঠি: স্ত্রীর স্বীকৃতির দাবিতে ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কৈখালী গ্রামে শাকিল ইসলামের বাড়িতে (৭ মে) অনশন করছেন জান্নাতী আক্তার নামে এক নারী।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকালে জান্নাতী আক্তার শাকিলের বাড়িতে গেলে শাকিলের বাড়ির লোকজন ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়। এরপর থেকে জান্নাতী আক্তার অনশন শুরু করেন।
ভুক্তভোগী জান্নাতী আক্তার বলেন, তিন বছর পূর্বে চাকরির সুবাদে ঢাকার একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে মো.শাকিল ইসলামের (২৫) সাথে আমার পরিচয় হয়। পরে দুজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এক পর্যায়ে গত এক বছর পূর্বে শাকিলের সাথে পাঁচ লক্ষ টাকা কাবিনে আমার বিবাহ হয়। বিবাহের পরে শাকিল আমাকে দুইবার কাঁঠালিয়া উপজেলার শৌলজালিয়া ইউনিয়নের কৈখালী গ্রামের তার নিজ বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে আসেন। তখন আমার সাথে শাকিল তার মা মনিরা বেগম, বোন সোনিয়া আক্তার, ভাই সোহেল ও বাবা নুরুল হক মোল্লার সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। বিবাহের পর আমরা ঢাকার লতিফপুর বোড়া মার্কেট এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতাম। গত ১৪ এপ্রিল শাকিল কিছু না বলে বাসা থেকে বেরিয়ে যায়, এরপর থেকে তার ফোন বন্ধ এবং আমার সাথে কোনো যোগাযোগ রাখছে না। তাই অন্য কোন উপায় না পেয়ে আমার ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া ছোট বোন পাখিকে নিয়ে স্বামীর খোঁজে কাঁঠালিয়ার শৌলিজালিয়া গ্রামে শাকিলের বাড়িতে আসি। আমি শাকিলের বাড়িতে পৌঁছার পূর্বেই তার বাবা-মা আমার উপস্থিতি টের পেয়ে ঘরে তালা দিয়ে পালিয়ে যায়।
আমার শেষ কথা, স্বামী শাকিল বাড়িতে এসে যতক্ষণে আমাকে গ্রহণ না করবে, ততখনে আমি এখান থেকে যাব না। প্রয়োজনে আত্মহত্যা করব।
জান্নাতী আক্তার কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর থানার উলিপুর গ্রামের আব্দুল জলিল মিয়ার মেয়ে।
এ ব্যাপারে শৌলজালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. সিরাজুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
তবে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. সেলিম তালুকদার বলেন, ‘ইতোমধ্যে ঘটনাটি লোকমুখে শুনেছি। এ বিষয়ে বসা হবে।’
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু নাছের রায়হান জানান, এই বিষয়ে অভিযোগ এখনো হাতে পায়নি, অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পিএস







































