• ঢাকা
  • মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

আসামি ধরে দিলেন বাদী, ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে


শরীয়তপুর প্রতিনিধি জুন ৩০, ২০২৬, ০৪:২৩ পিএম
আসামি ধরে দিলেন বাদী, ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ওসির বিরুদ্ধে

ছবি : প্রতিনিধি

শরীয়তপুর: শরীয়তপুরের জাজিরায় একটি হামলার ঘটনার মামলার আসামি ইমরান নামে এক ব্যক্তিকে মামলার বাদী নিজে পাকড়াও করে ওসির নিকট হস্তান্তর করার পরেও ওই আসামিকে নিরাপদে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহাম্মদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওসির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মামলার বাদী।

সোমবার (২৯ জুন) বেলা ১২টার দিকে জাজিরা উপজেলা পরিষদে এ ঘটনা ঘটে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২ মার্চ জাজিরা থানা পুলিশ পৌরসভার খোশাল সিকদার কান্দি এলাকায় স্থানীয় সহর আলী মাদবরের বাড়িতে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করলে দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মিলন মিয়া সংবাদ সংগ্রহের জন্য সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পরদিন ৩ মার্চ দুপুরে জাজিরা পুরাতন বাজার এলাকায় ঈদের কেনাকাটা করতে গেলে মাদক-সংক্রান্ত সংবাদ প্রকাশের জেরে স্থানীয় ইলিয়াস মাদবরের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি ধারালো ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার ওপর হামলা চালায়।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়, হামলার সময় মনির মাদবর চাপাতি দিয়ে তার মাথায় কোপ দেন এবং সহর আলী মাদবর লোহার রড দিয়ে আঘাত করলে তার বাম হাতের কনুই ভেঙে যায়। এছাড়া অন্য আসামিরাও তাকে মারধর ও হত্যার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। ওই ঘটনায় জাজিরা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়, যেখানে ইমরান মুন্সি ১২ নম্বর আসামি।

পরে সোমবার (২৯ জুন) সকালে জাজিরা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় ইমরান মুন্সিকে উপস্থিত দেখতে পান মামলার বাদী মিলন মিয়া। পরে ঘটনাস্থলেই তাকে আটক করে মামলার কাগজপত্রসহ জাজিরা থানা ওসি সালেহ আহাম্মদের কাছে সোপর্দ করেন।

মামলার বাদী মিলন মিয়ার দাবি, এ সময় জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালেহ আহাম্মদ বলেন, ‘আমি আসামিকে গ্রেপ্তার করেছি।’ এরপর ইমরানকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের একটি কক্ষে রাখা হয়। কিছুক্ষণ পর দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা সেখান থেকে চলে গেলে ওই সুযোগে ইমরান সেখান থেকে কৌশলে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় পুলিশের দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ তুলে বিষয়টি দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

স্থানীয়রা জানায়, ইমরান মুন্সির বিরুদ্ধে এর আগেও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক সেবন ও মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে স্থানীয়দের দাবি।

আসামিকে কেন ছেড়ে দেয়া হলো সে বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি মো. সালেহ আহাম্মদ বলেন, মামলার আয়ু (তদন্তকারী কর্মকর্তা) না থাকায় তাকে যাচাই করা যায়নি তিনি আসামি কিনা কিংবা জামিনে আছেন কিনা।

পিএস

Link copied!