• ঢাকা
  • রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

ভোলায় জমির বিরোধ নিয়ে সালিশ-বৈঠকে সংঘর্ষ, আহত ৭


ভোলা প্রতিনিধি সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬, ০৮:০৫ পিএম
ভোলায় জমির বিরোধ নিয়ে সালিশ-বৈঠকে সংঘর্ষ, আহত ৭

ছবি: সংগৃহীত

ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে একটি স্কুলের খেলার মাঠ সম্প্রসারণের জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সালিশ বৈঠকের পর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী ও অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্যসহ উভয় পক্ষের অন্তত সাতজন আহত হয়েছেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খায়ের উদ্দিন সিকদার, তার ভাই অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য নাসির উদ্দিন সিকদার, ব্যবসায়ী নিজাম উদ্দিন দুলাল, কলেজ স্টাফ জসিম উদ্দিন সিকদার এবং সেলটেক সিরামিকসের কর্মকর্তা নুরুদ্দিন সিকদার ওয়াসিম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে ৩ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরপাতা গ্রামে 'আব্দুল হাকিম বাঘা আদর্শ স্কুল' প্রতিষ্ঠা করেন আইনজীবী খায়ের উদ্দিন সিকদার। মাঠ সম্প্রসারণের জন্য হালিমা খাতুন নামের এক নারীর কাছ থেকে চার শতাংশ জমি কেনে স্কুল কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি স্থানীয় মোশারফ গং ওই জমি নিজেদের দাবি করে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের চেষ্টা করলে পুলিশ গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞার পরও কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে।

এ বিরোধ মীমাংসার জন্য শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্থানীয় মানিক বাঘার উদ্যোগে সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে মীমাংসা না হওয়ায় সবাই চলে যাওয়ার পর খায়ের উদ্দিন সিকদারের বাড়িতে হামলা চালানো হয়।

আইনজীবী খায়ের উদ্দিন সিকদারের অভিযোগ, চাঁদা না দেওয়ায় মানিক বাঘা ও তার ছেলের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন ধারালো অস্ত্র ও রড নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনিসহ তার পাঁচ ভাই গুরুতর আহত হন। পরে তাদের ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এছাড়া স্কুলে ভাঙচুর, নগদ টাকা লুট ও পার্ক করা গাড়ির ব্যাটারি নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মোশারফ জানান, স্কুলের মাঠে তাদের জমি রয়েছে। জমি নিতে গেলে প্রতিপক্ষ তাদের ওপর হামলা চালায়। অন্যদিকে সালিশকারী মানিক বাঘার দাবি, পরিস্থিতির কারণে সংঘর্ষ হলেও এতে তার বা তার পরিবারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

ভোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্বার্থে স্কুলের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে দ্রুত এ বিরোধের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এসএইচ 

Link copied!