রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা চাঞ্চল্যকর মামলার এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় আজ। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) শুনানির দিন ধার্য রয়েছে। আজ এই শুনানি শেষ হলেই জানা যাবে বহুল আলোচিত এই মামলার রায়ের চূড়ান্ত তারিখ।
বেলা ১১টায় ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে গতকাল বুধবার মামলার শুনানিতে আত্মপক্ষ সমর্থন করতে গিয়ে প্রধান আসামি সোহেল রানা নিজের অপরাধ স্বীকার করে আদালতের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে। তবে তার স্ত্রী ও মামলার অপর আসামি স্বপ্না খাতুন নিজেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ দাবি করে শাস্তি থেকে রেহাই চান।
গত মঙ্গলবার এই মামলায় টানা ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন করেন ট্রাইব্যুনাল। ওই দিন শিশু রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা এবং মা পারভীন আক্তারসহ অন্যান্য সাক্ষীদের জবানবন্দিতে ঘটনার এক বীভৎস ও লোমহর্ষক চিত্র ফুটে ওঠে।
এ মামলায় গত ১ জুন সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুাল। এ সময় তাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, হত্যা ও মরদেহ গুম করার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়। এর আগে গত ২৪ মে রানা ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) অহিদুজ্জামান। ওইদিনই অভিযোগপত্র আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাসা থেকে বের হলে সোহেল রানা দম্পতি কৌশলে আট বছরের শিশু রামিসাকে তাদের ফ্ল্যাটে নিয়ে যায়। এরপর রামিসাকে বাথরুমে আটকে রেখে ধর্ষণ পর হত্যা করে সোহেল। পরে লাশ গুম করার জন্য গলা কেটে মস্তক আলাদা করে সে। এ ঘটনায় মামলা করেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।
এম







































