• ঢাকা
  • বুধবার, ০৭ জানুয়ারি, ২০২৬,
SonaliNews

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অনুমোদিত নিউজ পোর্টাল

পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর, বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত


নিজস্ব প্রতিবেদক জানুয়ারি ৩, ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
পে স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের সুখবর, বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত

ফাইল ছবি

বাংলাদেশের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেলে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। গত বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় বেতন কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সভা রাষ্ট্রীয় শোক ও সাধারণ ছুটির কারণে স্থগিত হলেও নতুন বেতন কাঠামোয় গ্রেড সংস্কারের বিষয়টি আলোচনার তুঙ্গে পৌঁছেছে। কমিশন সূত্র জানায়, স্থগিত হওয়া সভার নতুন তারিখ দ্রুতই চূড়ান্ত করা হবে।

সুপারিশ তৈরির প্রক্রিয়ায় কমিশনের সদস্যদের মধ্যে ২০টি বিদ্যমান গ্রেড নিয়ে তিনটি ভিন্নধর্মী প্রস্তাবনা রয়েছে-

১. ২০টি গ্রেড বহাল রাখা: একটি পক্ষ মনে করছে, বর্তমান ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত রেখে শুধুমাত্র জীবনযাত্রার ব্যয়ের সঙ্গে সংগতি রেখে বেতন ও ভাতা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা উচিত।

২. গ্রেড ১৬টিতে নামানো: বেতন বৈষম্য কিছুটা লাঘব করতে গ্রেড সংখ্যা ২০টি থেকে কমিয়ে ১৬টিতে রূপান্তরের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

৩. ১৪টি গ্রেডে আমূল পরিবর্তন: সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবটি হলো গ্রেড সংখ্যা ১৪টিতে নামানো। অনেক সদস্য মনে করছেন, এতে দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য একবারে দূর করা সম্ভব হবে এবং এটি একটি আধুনিক ও ন্যায্য কাঠামো হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে গঠিত কমিশন মনে করছে, গ্রেড সংখ্যা বেশি হওয়ায় নিম্নধাপের কর্মচারীরা উচ্চধাপের তুলনায় আর্থিকভাবে অনেক পিছিয়ে পড়ছেন। এই প্রকট বৈষম্য দূর করতে বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন থেকে প্রাপ্ত হাজার হাজার মতামত চুলচেরা বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

গত জুলাইয়ে অন্তর্বর্তী সরকার এই কমিশন গঠন করে এবং ছয় মাসের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়। যদিও কর্মচারীরা ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়েছিলেন, কমিশন একটি নির্ভুল ও দীর্ঘমেয়াদী কার্যকরী রূপরেখা তৈরিতে মনোযোগী।

সবকিছু ঠিক থাকলে স্থগিত হওয়া পরবর্তী বৈঠকেই গ্রেড সংখ্যা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। পে স্কেলের সিদ্ধান্ত এবং তার বাস্তবায়ন কবে শুরু হবে তা নির্ভর করবে কমিশনের সুপারিশ, উচ্চপর্যায় পর্যালোচনা এবং সংশোধিত বাজেট অনুমোদনের ওপর। ফলে কর্মচারীদের প্রত্যাশা এবং বাস্তবায়নের গতি উভয়ের সঙ্গে রাজনৈতিক সময়সূচি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এসএইচ 


 

Wordbridge School
Link copied!